জাতীয়

parabot_2_dp

আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তারপরই মুসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। আর এই ঈদের খুশি পরিবার পরিজনের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে নগরবাসীর একটি বৃহত্তম অংশই নদীর তীব্র স্রোত, নাব্য সংকট আর ফিটনেসবিহীন নৌযান এসব বিষয় মাথায় নিয়েই নাড়ীর টানে ঢাকা ছাড়বেন নৌপথে।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মাওয়া-কাওড়াকান্দিসহ সব রুট হয়ে দেশের ২১টি জেলার প্রায় ৫০ লাখেরও অধিক ঘরমুখি মানুষ ব্যবহার করবে এই নৌপথ। অন্যান্য বারের চেয়ে এ বছর নদীতে পানির উচ্চতা বেশি হওয়ায় এবং স্রোতের কারণে বয়া বাতি বা সিগনাল বাতিগুলো সরে যাওয়ায় চিন্তিত লঞ্চ মালিকরা।

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, স্রোতের কারণে সরে যাওয়া বয়া বাতি বা সিগনাল বাতিগুলো দ্রুত নির্ধারিত জায়গায় সরিয়ে না আনলে ঈদে বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। দেশের বেশির ভাগ নদীতে বর্তমান সময়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় এই পথ ব্যবহারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

তারা আরও বলছেন, ঈদে যাত্রী চাপ বাড়ার আগেই নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের এখনই উচিত নৌপথে যে সমস্যা গুলো রয়েছে তার সমাধানের ব্যবস্থা নেয়া।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিইটিএর কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, খুব শিগগিরই ঝুঁকিপূর্ণ সব নৌপথের চ্যানেলে আধুনিক প্রযুক্তির সরঞ্জাম বসানো হবে। এছাড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে সদরঘাট টার্মিনালও মেরামত করা হয়েছে। ঈদ যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে ঈদের আগেই যে লঞ্চগুলো পানিতে ভাসাতে বুড়িগঙ্গা তীরের ডকগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের ঝালাইয়ের কাজ। দ্রুত কাজ শেষ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির দাবি, অধিকাংশ যাত্রী পরছেন না লাইফ জ্যাকেট। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে বেপরোয়া গতিতে চলছে স্পিডবোট। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে লঞ্চ ও স্পিডবোট মালিকরা যাত্রী নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় আনছে না। তাই দ্রুত এসব সমস্যার সমাধান না করা গেলে বা নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঈদে ঘটতে পারে বড় কোন দুর্ঘটনা।

যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে নৌপথে চলতি বছরে কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে না। সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আমরা সবসময় কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের মনে রাখতে হবে, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে হবে। কাউকে বাদ দিয়ে কখনো সফলতা পাওয়া যাবে না।

তিনি আরো বলেন, এখন থেকেই রাতে আর কোনো স্পিডবোর্ড চলবে না। জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে নজরদারি আরো বাড়াতে হবে। কেননা এখন আবহাওয়া ভালো না। স্পিডবোর্ড যে দ্রুততার সঙ্গে চলে তাতে একটি দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া ঈদের সময় লঞ্চে বেশি ভাড়া নেওয়া যাবে না। নদী পথেও নৌকা করে কোনো যাত্রী তোলা যাবে না। এ বিষয়ে নৌ-পুলিশদের বিশেষ নজরদারি রাখতে হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

নদী পথে একটু ভুলের জন্য বড় বিপদ হতে পারে উল্লেখ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায় বলেন, ঈদের সময় সবাই বাড়িতে যাবে, আর এই সুযোগটি কাজে লাগানোর চেষ্টাকরে একটি চক্র। এই চক্রের কারণে যাত্রীরা হয়রানির শিকার হন। এবার যাতে কোনো যাত্রী হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নজরদারি রাখতে হবে এবং কোনো গাফিলতি হলে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক

tariqul_un.jpg

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ২১তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১০৩ জন প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ১৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি হাফেজ মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

 

আল মামজার দুবাই সাংস্কৃতিক এবং বৈজ্ঞানিক অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ( ১৫জুন) আল-কোরআন পুরস্কার সংস্থার প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম বু মুলহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স আহমদ বিন মোহাম্মদ বিন রাশেদ আল মাকতুমের কাজ থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার দিরহাম ( ৫,৪৯২,৫০০ টাকা) প্রাইজ মানি নেন মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, দুবাই ও উত্তর আমিরাত বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এস বদিরুজ্জামান, কনস্যুলেটের লেবার কাউন্সিলর এএসএম জাকির হোসেন, আমিরাতের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ-সহ বিভিন্ন দেশে থেকে আগত অতিথি বৃন্দ।

অন্যান্য বিজয়ীয়া হলেন, যথাক্রমে হুজাইফ সিদ্দিকী (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), মাদুর জোবে (গাম্বিয়া), আহমেদ বিন আব্দুল আজিজ ইব্রাহিম ওবাইদাহ (সৌদি আরব), রশিদ ইবনে আবদুল রহমান আলানি (তিউনিশিয়া), মোহনা আহমেদ (বাহরাইন), মোহাম্মদ হাদি আল-বশির (লিবিয়া), ওমর মাহমুদ সায়েদ আলী সৈয়দ আহমেদ রিফাই (কুয়েত), মোহামমু আবেকা (মৌরিতানিয়া), হাবিনানা মিকিনি (রওয়ানা) এবং মোহামেদ ইসমাইল মোহাম্মদ নাগিব তাহা (মিশর)।

বিস্তারিত

উত্তরার খবর

prosodhoni_un.jpg

আসছে ঈদ কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত সবাই এর মধ্যে নিজেকে পরিপূর্ণভাবে সাজাতে জামা, জুতা ও গহনার পর প্রসাধন সামগ্রীর দোকানেও ভিড় করছেন তরুণীরা।

নতুন পোশাকের সাথে মিলিয়ে কিনছেন বিভিন্ন কসমেটিক, ঈদের আমেজ তৈরিতে সবাই নিচ্ছেন মেহেদী।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন বিপণিবিতানে  গুরে দেখা যায়, পছন্দসই লিপস্টিক, কাজল, আই লাইনারসহ নানা প্রসাধন পণ্যের খোঁজে দোকানগুলোতে ভিড় করছে তরুণীরা। তবে মেহেদীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে জানান বিক্রেতারা।

ঈদে বিভিন্ন রূপে নিজেকে সাজিয়ে নিতে ক্রয় করছে  পছন্দের  ব্র্যান্ডের মেহেদী, লিপস্টিক, নেইল পলিশ, কাজল, আই-লাইনার, আই-শ্যাডো, মাশকারা, ফেইস পাউডার, ব্লাশনসহ বিভিন্ন মেকআপ সামগ্রীর।


রাজধানীর অভিজাত বিপণিবিতান "আর এ কে"শপিং কমপ্লেক্সে প্রসাধনীর দোকানগুলোতে ‘ম্যাট লিপস্টিক’ আর ওয়াটার প্রুফ কাজল’র চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে জানান বিক্রয়কর্মীরা।

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লিকুইড ম্যাট লিপস্টিকগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কাজলের চাহিদাও আছে, তবে কালারফুল যেমন ব্লু, গ্রিন কাজল আর আই-লাইনারগুলোও কিনছে কাস্টমাররা।

আর মেহেদীর তো বলার অপেক্ষা রাখে না। আলমাস, কাভেরীর টিউব মেহেদীর পাশাপাশি লিজান, মমতাজ, শাহাজাদী মেহেদী চলছে।


ম্যাট লিপস্টিকের কাস্টমারই বেশি, এখন এটা বেশি চলছে। কাজলও বেশ বিক্রি হচ্ছে।

তবে অন্যান্য প্রসাধনীর তুলনায় মেহেদীতেই ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি বলে জানান  বিক্রয়কর্মীরা।


মেহেদী কিনছে বেশি, এরপর বেশি বিক্রি হচ্ছে লিপস্টিক, কাজল, আই লাইনার।

আর মেহেদী ছাড়া তো ঈদের আমেজ আসে না। তাই পরিবারসহ ছোট ভাই-বোন নিজের জন্যও মেহদী কিনছে তরুণীরা।

বিস্তারিত

বিনোদন

Nusrat_un.jpg

দেশে নেমে এসেছে রোজার আমেজ। কাল (২৭ মে) দিন পেরোলেই শুরু মুসলিম ধর্মের সিয়াম সাধনার মাস। এমন একটি সময়ে (২৬ মে সন্ধ্যা) প্রকাশ পেয়েছে জিৎ-নুসরাত ফারিয়ার বিশেষ একটি গান। দুই বাংলার আলোচিত মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘বস- টু’র এই গানটির শিরোনাম ‘আল্লাহ মেহেরবান’।

স্বাভাবিক, গানের শিরোনাম শুনে যে কেউ মিলিয়ে নেবেন এটি রোজার মাসকে লক্ষ্য করেই প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। যাকে বলে ইভেন্ট অরিয়েন্টেড প্রমোশন। বাণিজ্যিক ছবিতেও তো, ধর্মীয় ভাবধারার গান হতে পারে। যদিও গানটি মুক্তির ২৪ ঘন্টা আগেই গণ্ডগোল পাকিয়ে গেল অন্তর্জালে। ২৫ মে ফেসবুকে এটি মুক্তির আগাম খবর জানালো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। যেখানে গানের শিরোনামের সঙ্গে নুসরাত ফারিয়ার বেশ খোলামেলা একটি ছবি সংযুক্ত ছিল। অন্তর্জালে বিষয়টি নিয়ে খটকা আর সমালোচনা শুরু তখন থেকেই।    

যে সমালোচনার আগুনে ঘি পড়েছে শুক্রবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় গানটির ভিডিও প্রকাশের পর থেকে। যেখানে গানের শিরোনাম, কথা অথবা ভাবধারার সঙ্গে ফারিয়ার খোলামেলা উপস্থিতি দারুণ সাংঘর্ষিক বলেই মনে করছেন বেশিরভাগ সিনেমাপ্রেমী ও সমালোচক। অবাক বিষয় হলো, গানটির সঙ্গে জিৎ-এর কালো কাবলি-পাগড়ি-ড্রেসআপ এবং উপস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক অথবা মার্জিত। ফলে গানটিতে বাংলাদেশের মেয়ে নুসরাত ফারিয়ার এমন খোলামেলা উপস্থিতি কতটা প্রাসঙ্গিক আর কতটা উদ্দেশ্যমূলক- সেটি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে প্রচুর।  


এ নিয়ে অন্তর্জালের কমেন্ট বক্সে ভালোই তোপের মুখে আছেন নুসরাত ফারিয়া ও মুক্তি প্রতিক্ষীত ‘বস- টু’ সংশ্লিষ্টরা। যদিও ফারিয়ার ভাষ্য বেশ ডিপ্লোমেটিক। বাংলা ট্রিবিউনকে বললেন, ‘সমালোচিত বলেই আলোচিত।’


তবে গানের শিরোনাম এবং রোজাকেন্দ্রিক এই সময়টাকে ‘স্কিপ’ করে গেলে- প্রাঞ্জলের কথায়, জিৎ গাঙ্গুলীর সুর-সংগীতে, নাকাশ ও জনিতার গাওয়া গানটি এক কথায় অসাধারণ। এতে ফারিয়া দারুণ সাবলীল এবং সেট-কোরিওগ্রাফি অদ্ভুত সুন্দর।

বাবা যাদব পরিচালিত এ ছবিতে জিতের বিপরীতে ঢাকার নুসরাত ফারিয়া ছাড়াও অভিনয় করেছেন কলকাতার শুভশ্রী।  


সিনেমাটি বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও জিতের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিৎস ফিল্ম ওয়ার্কস প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে।

২০১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পায় জিৎ ও শুভশ্রী অভিনীত ছবি ‘বস: বর্ন টু রুল’। এটি ছিল তেলেগু ছবির রিমেক। আগের ছবিটির দ্বিতীয় কিস্তি ‘বস- টু’। এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, অমিত হাসান, সীমান্ত প্রমুখ।

বিস্তারিত

খেলাধুলা

mas_un.jpg

১১ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ফিরেই চমকে দিয়েছে বাংলাদেশ। গত বিশ্বকাপের ফাইনালের দুই দলকে বিদায় করে পৌঁছেছে শেষ চারে। এবারই প্রথম আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে সেমি-ফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ।


গত বিশ্বকাপে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল খেলেছিল কোয়ার্টার-ফাইনালে। সেবারই প্রথম আইসিসির টুর্নামেন্টের শেষ আটে খেলেছিল বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবে সেটাই ছিল সেরা সাফল্য।

এশিয়া কাপ ও এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশের। দেশের মাটিতে এশিয়ার দলের সঙ্গে খেলা আর বিরুদ্ধ কন্ডিশনে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ডের মতো গ্রুপ থেকে শেষ চারে যাওয়া মোটেও এক নয়।


ইংল্যান্ডের কাছে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা বাংলাদেশ পরের ম্যাচে বেঁচে যায় বৃষ্টির জন্য। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পরিত্যক্ত হওয়া সেই ম্যাচ থেকে পাওয়া এক পয়েন্টে টিকে থাকে মুশফিকুর রহিম-তামিম ইকবালদের দল।

আর শুক্রবার বাঁচা-মরার ম্যাচে সাকিব আল হাসান-মাহমুদউল্লাহর ব্যাটিং বীরত্বে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে বেঁচে থাকে শেষ চারের আশা। তবে স্বপ্নের সেমি-ফাইনালে ওঠাটা তাদের হাতে ছিল না।


ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিতলে অস্ট্রেলিয়া যেত সেমি-ফাইনালে। পারেনি স্টিভেন স্মিথের দল। স্বাগতিকদের কাছে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে হেরেছে ৪০ রানে। গত বিশ্বকাপে যাদের বিদায় করে শেষ আট নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ, এবার তাদের জয়েই নতুন উচ্চতায় গেল তারা।

আগেই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করা ওয়েন মর্গ্যানের দল ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের সেরা দল। ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ। আগামী বৃহস্পতিবার এজবাস্টনে দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে খেলবে তারা। প্রতিপক্ষ এখনও ঠিক হয়নি।

বিস্তারিত

বিচিত্র খবর

toddler-drinks-mom_un.jpg

রেললাইনের পাশে পড়ে আছে মায়ের নিথর দেহ। চিরদিনের মতো শিশুকে এতিম করে মা চলে গেছেন না ফেরার দেশে। কিন্তু ১৭ মাস বয়সের অবুঝ শিশুর এখনও বোঝার ক্ষমতা হয়নি তার মা আর জীবিত নেই। কান্নাকাটি করলেই তাকে আর তড়িঘড়ি করে বুকের দুধ পান করাতে পারবেন না।

 

অবুঝ ওই শিশু ক্ষুধার জ্বালায় কান্নাকাটি করে একপর্যায়ে মৃত মায়ের দুধ পান করতে থাকে। বুধবার ভারতের মধ্য প্রদেশের দামোহ জেলায় নির্মম এ ঘটনা ঘটেছে।

রেললাইনের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে মনু বাল্মিকি নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি পুলিশে খবর দেন। তারা ভেবেছিলেন সেখানে শুধু কোনো নারীর মরদেহ পড়ে আছে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের নজরে আসে ক্ষুধার্ত বাচ্চার সেই হৃদয়বিদারক কাণ্ড।

এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত জনতা দুই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। পরে পুলিশ এসে শিশুটিকে স্থানীয় হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠায়। পরীক্ষায় জানা গেছে, শিশুটি জ্বরে ভুগছে। হাসপাতাল থেকে তাকে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেয়া হয়েছে।

পুলিশ নিহত ওই নারীকে উদ্ধার করেছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রেন দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হতে পারে। মরদেহের নাক ও কানে দুর্ঘটনার চিহ্ন রয়েছে। বাচ্চাটিকে কোনো এতিমখানায় স্থানান্তরের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ততক্ষণ পর্যন্ত হাসপাতালেই থাকবে বাচ্চাটি।

বিস্তারিত

ছবিঘর

medialinks MAMS image
image



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
উত্তরা নিউজ ২০১৩-২০১৭