জাতীয়

police1

বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত ৪১৬ জন উপ-পরিদর্শককে (নিরস্ত্র, এসআই) পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পদোন্নতির বিষয়টি জানানো হয়।

তাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে পদায়ন করা হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের সময়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক এসআই’র পদোন্নতির ঘটনা এটাই প্রথম। পদোন্নতি পাওয়া পরিদর্শকদের পুলিশের নবগঠিত বিভিন্ন ইউনিটে পদায়ন করা হয়েছে।

 

বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক

biiiiimaaaaa

দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত হওয়া পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের ৪৮ আরোহীর মধ্যে ৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

বুধবার স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ৪২ মিনিটে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের হাভেলিয়ান শহরের কাছে পিকে-৬৬১ ফ্লাইটটি বিধ্বস্ত হয়। তবে এর কিছুক্ষণ আগে বিমানের ইঞ্জিন ত্রুটির কথা জানিয়েছিল পাইলট।

বিধ্বস্ত বিমানে ৪২জন যাত্রী, ৫ জন ক্রু এবং একজন প্রকৌশলী ছিলেন। এদের মধ্যে ৩ জন বিদেশি, যাদের দুইজন অস্ট্রিয়ার আর একজন চীনের নাগরিক। এছাড়া বিমানটিতে ছিলেন পাকিস্তানের এক সময়ের জনপ্রিয় পপ তারকা জুনায়েদ জামশেদ। অ্যাবোটাবাদের পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বিস্তারিত

উত্তরার খবর

leeeeeeeeeekkkkkkkk

দখল, ভরাট আর দূষণে রাজধানীর উত্তরা লেকের আয়তন অর্ধেক হয়ে গেছে। লেকগুলোকে কোনোভাবেই দখল-দূষণ ও ভরাটের হাত থেকে রক্ষা করতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা। কয়েক দফায় উচ্ছেদ অভিযান চালালেও ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় তা দখল ও ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এতে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে রাজধানীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষার অন্যতম নিয়ামক এই লেকগুলো। সরেজমিন পরিদর্শনে রাজধানীর উত্তরা লেকের দখল-দূষণের করুণ চিত্র উঠে এসেছে। পয়ঃবর্জ্য, গৃহস্থালি বর্জ্য, হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বর্জ্য এবং শিল্প বর্জ্য ফেলায় লেকগুলো অতিমাত্রায় দূষিত হয়ে পড়েছে। নিচু জমি ভরাট করে উত্তরা আবাসিক এলাকা গড়ে উঠলেও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য রাখা হয়েছে উত্তরা লেক।

বেড়িবাঁধ-সংলগ্ন এলাকায় লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে দেখলে দেখা যায়, লেকের দুই পাড় দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ছোট-বড় স্থাপনা। এসব স্থাপনা স্থানীয় প্রভাবশালীদের। যাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এ ছাড়া বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা ও শিল্পবর্জ্য ফেলা হচ্ছে লেকটিতে। বেশ কিছু কমিউনিটি সেন্টারের খাবারের উচ্ছিষ্ট ফেলা হচ্ছে লেকটিতে। যা লেকের পানিকে দূষিত করার পাশাপাশি লেকের সৌন্দর্য বিনষ্ট করছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। লেকের আধুনিকায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দিলেও তারা লেকে মাছ চাষ করছে। দখল-দূষণ নিয়ন্ত্রণে সংস্থাটির কোনো ভূমিকা নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, রাজধানীর অধিকাংশ লেক ইতোমধ্যে পর্যবেক্ষণ করেছি। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য তৈরি লেক দখল ও ভরাট করে যেসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে খুব শিগগিরই এগুলো উচ্ছেদ করা হবে। এ ছাড়া এসব লেকের ওপর যেন ময়লা-আবর্জনা না ফেলা হয় সে জন্য সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি।

বিস্তারিত

বিনোদন

bolllliuddddddd

এক জায়গায় বলিউডকে পিছনে ফেলে দিয়েছে টলিউড। একটা বয়সের পর যেখানে বলি নায়িকাদের প্রায় অবসর নিয়ে নিতে হয়, সেখানে টলিউডের নায়িকারা চুটিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। 
হাতের নাগালে সবচেয়ে ভাল উদাহরণ ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এখনও বাংলার নায়িকাদের মধ্যে ছবির বিচারে তিনিই এগিয়ে। বছরে সবচেয়ে বেশি ছবি করেন। হিটও আছে। সেই তুলনায় ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন কিংবা কাজল ক’টা ছবি করেন? 
বয়সের বিচার করলে অ্যাশ দু’বছরের ছোট ঋতুপর্ণার চেয়ে।  কাজলকেও উদাহরণ হিসেবে ধরা যেতে পারে। বিয়ে এবং বাচ্চা হয়ে যাওয়ার পর তিনিও খুব কম ছবি করেছেন। 
একটু পিছনে তাকালে দেখা যাবে, বাংলা ছবির নায়িকারা অনেকদিন পর্যন্ত চুটিয়ে কাজ করে থাকেন। বলিউডের নায়িকাদের তুলনায় তাঁদের অবসরের বয়স অনেকটাই বেশি। সুচিত্রা সেন ৪৭ বছর বয়সে ‘প্রণয় পাশা’ করেছেন। সেখানে হেমা মালিনীকে ৪০ বছরেই 
বয়স্ক মহিলার চরিত্র করতে দেখা গিয়েছে।
 

বোঝা যাচ্ছে, বলিউডে মোটামুটি ৩৬-৩৭ বছর বয়স হয়ে গেলে নায়িকাদের হাতে ছবি কমতে থাকে। একটু অন্য ধরনের গল্পের জন্য তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়। যদিও সেই অন্য ধরনের গল্পের জোগানও বলিউডে বেশ কম। পুরোদস্তুর নায়িকা হিসেবে কাজল সেই ‘ফনাহ্‌’তেই কাজ করেছেন। যখন তাঁর বয়স ৩২। তারপর ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘উই আর ফ্যামিলি’ কিংবা ‘দিলওয়ালে’ করলেও সেখানে একটু ভারিক্কি চরিত্রই দেওয়া হয়েছে তাঁকে। একই কথা ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মেয়ে আরাধ্যা হয়ে যাওয়ার পর ঐশ্বর্যা মোটে তিনটে ছবিতে কাজ করেছেন। ঘটনাচক্রে তাঁর মধ্যে ‘জজ্‌বা’ এবং ‘সর্বজিৎ’ ফ্লপ। ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ হিট করলেও সেখানে অ্যাশ প্রধান চরিত্র ছিলেন না। ফলে বয়স হয়ে গেলে নায়িকাদের ছবি চলে না, এই জাতীয় তত্ত্ব এক্ষেত্রে জোরদার হচ্ছে।সেই প্রেক্ষিতে দেখলে বাংলায় ঋতুপর্ণা তো বটেই, রাইমা সেন কিংবা পাওলি দাম কারওরই কাজ পেতে সমস্যা হচ্ছে না। রাইমা ৩৭ বছর বয়সে অনেক রকম চরিত্র করেছেন। যদিও তিনি আরবান ছবিতেই কাজ করে থাকেন। পাওলিও তাই। কিন্তু পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব বলে যে তাঁদের বয়স্ক চরিত্র করতে হচ্ছে, তেমন নয়। কোয়েল যেমন অনেকদিন ধরে বাণিজ্যিক ছবির পয়লা নম্বর জায়গাটা ধরে রেখেছিলেন। তবে এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক ছবিতে নুসরত জাহান, মিমি চক্রবর্তী, সায়ন্তিকারাই প্রাধান্য পাচ্ছেন।

 

বলিউডে ব্যতিক্রম বিদ্যা বালন। তিনি নিয়মিত নারীপ্রধান চরিত্র পেয়ে এসেছেন। বিদ্যা এখন ৩৮। এখানেও একটা ‘কিন্তু’ রয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যার অনেক ছবি ফ্লপ হয়েছে। ভরসা বলতে একমাত্র ‘কহানি টু’। করিনা কপূর খান যেমন জোর গলায় দাবি করেন, বয়স কোনও ফ্যাক্টর নয়। তিনি এখন ৩৬’এর কোঠায়। মা হতে যাচ্ছেন বলে ছবির কাজ বন্ধ করে দেবেন, এমন দাবিও উড়িয়ে দিয়েছেন। বাস্তবটা যদিও একটু আলাদা। করিনা নারীপ্রধান ছবি এখন আর পান না। সেই প্রস্তাবগুলো দীপিকা পাড়ুকোন, প্রিয়ঙ্কা চোপড়া, কঙ্গনা রানাউত কিংবা আলিয়া ভট্টদের কাছেই যাচ্ছে। করিনার পরপর ছবি ফ্লপ হয়েছে। যেগুলো হিট করেছে, সেখানে তিনি নিমিত্তমাত্র। ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ কিংবা ‘সিংহম রিটার্নস’এর হিটের কারণ অবশ্যই অন্য। রানি মুখোপাধ্যায়ও অবসরের রাস্তাতেই বলা চলে। শেষ ছবি ‘মরদানি’। তার আগে অবশ্য লম্বা ফ্লপের তালিকা রয়েছে রানির।
বলিউ়ডের তুলনায় টলিউডে আরবান আর কমার্শিয়ালের বিভাজনটা বেশ স্পষ্ট। অনেক সময়েই যে নায়িকা আগে অনেক বাণিজ্যিক ছবি করেছেন, কেরিয়ারে একটু পরের দিকে তাঁকে আরবান ছবিতে দেখা যায়। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় যেমন কেরিয়ারের প্রথম দিকে কমার্শিয়াল ছবিতে দিব্যি কাজ করেছিলেন। এখন তাঁকে স্রেফ শহুরে ঘরানার ছবিতেই দেখা যায়। পায়েল সরকারও শুরুর দিকে মসালা বাণিজ্যিক ঘরানার ছবি করতেন। এখন তিনি অঞ্জন দত্ত, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শীলের ছবি করছেন।
সুতরাং বয়স হয়ে গেলে বলিউডে যেখানে নায়িকাদের হাতে ছবি একেবারে কমে যাচ্ছে, সেখানে টলিউডের নায়িকাদের ততটা মুশকিলে পড়তে হচ্ছে না। গল্পের গতিপ্রকৃতি, ইন্ডাস্ট্রির কাঠামোই এই তফাতের মূল কারণ।

বিস্তারিত

খেলাধুলা

jidan_ub

রিয়াল মাদ্রিদের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু গ্রুপ সেরা হতে হলে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে ফিরতি লেগে জয়ের বিকল্প নেই তাদের জন্য।

কোচ জিনেদিন জিদান তাই জার্মান ক্লাবটির বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটিকে ফাইনাল হিসেবেই দেখছেন। 

ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে হতে যাওয়া লড়াইটি জিদানের অধীনে রিয়ালের ৫০তম ম্যাচ হবে। এ বছরের শুরুতে প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর স্পেনের সফলতম ক্লাবটির হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি ম্যাচে হেরেছেন এই ফরাসি কোচ।

এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার আগের দিন মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে কোচ জিদান বলেন, “এটা একটা ফাইনাল। গ্রুপ পর্বে এটা শেষ ম্যাচ আর আমরা ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে খেলব। তাই আশা করি, আমরা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারব। আমাদের পুরো লক্ষ্য ম্যাচটিতে। গ্রুপ সেরা হয়ে শেষ করতে আমরা চেষ্টা করব। আমাদের গত মৌসুমটা ভালো ছিল। আশা করি শুরুতে একটা গোল পাব। ”

বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত পৌনে দুইটায় শুরু হবে ম্যাচটি। পাঁচ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে ‘এফ’ গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে আছে রিয়াল। ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে ডর্টমুন্ড। দুই দলের মধ্যে লেগের ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল।

 

বিস্তারিত

বিচিত্র খবর

notuuunnnnnnnnn

মেয়েরা পুরুষের ঠিক কোনখানে শরীরী আকর্যণকে খোঁজেন? পেশল চেহারায়? কমনীয় মুখাবয়বে? নাকি বাকপটুত্বে, পোশাকের পারিপাট্যে? পুরুষ কি কেবলমাত্র নারীর শারীরিক সৌন্দর্যেই আকৃষ্ট হন? সমকামীরাও কি কেবল বহিরঙ্গের সৌন্দর্যকেই খোঁজেন তাঁর সঙ্গীর মধ্যে? যাঁরা শরীরবাদী প্রেমকে নাকচ করতে চান, তাঁরা বলতেই পারেন— ‘শরীর, শরীর শুধু, তোমার মন নাই কুসুম?’ এখানে অবশ্য ‘মন’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে, সেটা স্পষ্ট করে জানা দরকার। মন মানে কি অনুভবের ক্ষমতা, নাকি মন মানে শরীরকে পাশে সরিয়ে এক অন্য যাপনের সন্ধান?

সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন এমন সব মানুষ, যাঁরা তাঁদের যৌন আকর্ষণের কেন্দ্রে কিছুতেই শরীরকে রাখতে পারেন না। এমনকী তাঁরা বিপরীতের মানুষটিকে চোখে না দেখলেও গভীরভাবে তাঁর প্রেমে পড়েন। সেই প্রেম আবার দারুণভাবে শরীরী। তাঁরা আসলে প্রেমে পড়েন বিপরীতে থাকা মানুষটির বুদ্ধিমত্তা বা বৌদ্ধিক চেতনার। শরীর-কেন্দ্রিক সমাজে এই ধরনের যৌনতার মানুষ অনিবার্যভাবেই সংখ্যালঘু। এই বিশেষ সেক্সুয়াল টাইপটিকে মনস্তাত্ত্বিকরা চিহ্নিত করেছেন ‘স্যাপিওসেক্সুয়ালিটি’ হিসেবে। ২০০২ সালে এই টার্মটি জনৈক ব্লগার প্রথম ব্যবহার করেন, তার পর থেকে ক্রমে লেসবিয়ান, গে, ট্রান্সসেক্সুয়াল, প্যানসেক্সুয়াল, মেট্রোসেক্সুয়াল ইত্যাদি তকমার পাশে স্থান করে নিতে থাকে শব্দটি। ২০১৪-এ বিখ্যাত ডেটিং সাইট ‘ওকেকিউপিড’ স্যাপিওসেক্সুয়ালদের নতুন করে জায়গা দেয়। তাদের জন্য আলাদা ক্যাটিগরি রাখা শুরু হয় এই সাইটে।

অক্টোবরে আরও এক কদম এগিয়ে গেল প্রযুক্তি। স্যাপিওসেক্সুয়ালদের জন্য লঞ্চ হল ডেটিং অ্যাপ। ‘স্যাপিও ইন্টালিজেন্ট ডেটিং অ্যাপ’ নিয়ে এই মুহূর্তে হইচই পড়ে গিয়েছে যৌনতা-সংক্রান্ত সমাজবিদ্যাচর্চাকারীদের মধ্যে। অনেকেই দেখাচ্ছেন সোশ্যাল নেটওয়ার্কেও ক্রমে বাড়ছে বুদ্ধিদীপ্ত পোস্টের প্রতি আকর্ষণ, বিপরীত লিঙ্গের মানুষ খুঁজে নিচ্ছেন তাঁর আকর্ষণের ব্যক্তিকে শুধুমাত্র পোস্ট বা স্টেটাসে বুদ্ধির ছাপ দেখে। প্রোফাইল পিকচারে তাঁদের মন ভরছে না।  আবার অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, এ থেকে আবার নতুন শ্রেণিবিভাজন জন্ম নেবে না তো? স্যাপিওসেক্সুয়ালদের বক্তব্য, এতকাল শরীরীদের দাপট সহ্য করেছেন তাঁরা, এবার খেলা ঘুরছে। 

বিস্তারিত

ছবিঘর

medialinks MAMS image
image



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
উত্তরা নিউজ ২০১৩-২০১৬