জাতীয়

Hamid

আজ রবিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় নিজের গ্রামের বাড়িতে যাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সেখানে তিনি কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।
 
জানা গেছে, রবিবার দুপুর ২টার দিকে একটি হেলিকপ্টারে করে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওয়ানা দিবেন রাষ্ট্রপতি। স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ৩টায় মিঠামইন উপজেলার আবদুল হামিদ মিলনায়তনে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন।

এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব মোহম্মদ জয়নাল আবেদিন বলেন, 'রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ রবিবার চার দিনের সফরে কিশোরগঞ্জে তাঁর গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন। ' 
 
এও জানা গেছে, চার দিনের সফরকালে তিনি বাজিতপুর কলেজ, কটিয়াদি পাইলট মডেল হাই স্কুল ও জেলার কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউসে কয়েকটি অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন। বুধবার বিকেলে ঢাকায় ফিরে আসবেন রাষ্ট্রপতি।

বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক

রোহিঙ্গাদের

জাতিসংঘের ঢাকা অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিকভাবে যে ধারণার ভিত্তিতে তারা রোহিঙ্গাদের সহায়তার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক জটিল আকার ধারণ করেছে।

 

গত ৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ জানিয়েছিল, ওই সময় পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গার জন্য সমন্বিত ত্রাণ তৎপরতায় প্রাথমিক হিসাবেই অন্তত ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রয়োজন।এর মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ৬৪ হাজার ডলার জোগাড় করা সম্ভব হয়েছে, যা প্রাথমিক পরিকল্পনার ৪৭ শতাংশ।কিন্তু এই সময়ের মধ্যে নতুন আসা রোহিঙ্গাদের মিলিয়ে শরণার্থীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এবং সে অনুযায়ী বেড়ে গেছে চাহিদাও।  

এই বিপুল জরুরি সহায়তার চাহিদা মেটাতে সহযোগী সংস্থাগুলোর সঙ্গে মিলে ত্রাণ পরিকল্পনা পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ।

এদিকে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিভাগের প্রধান ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়ক মার্ক লোকক এবং ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্থনি লেক সোমবার বাংলাদেশে আসছেন। দুই দিনের সফরে তারা শরণার্থী শিবিরে গিয়ে রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি ও সঙ্কটের মাত্রা নিজের চোখে দেখবেন। 

বিস্তারিত

উত্তরার খবর

sahara

বৃহত্তর ঢাকা সমিতি উত্তরার প্রীতি সম্মেলন ও মতবিনিময় সভায়  প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর প্রেসিডিয়াম মেম্বার, ঢাকা ১৮ আসনের মা, মাঠি ও গণমানুষের নেতা অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন,এম.পি  বলেন  দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য এখনো যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত রয়েছি।

তিনি বলেন বৃহত্তর ঢাকা সমিতির জন্য সব রকম সহযোগিতা করতে আমি প্রস্তুত। এই সমিতির জন্য বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে জমি, সে জমি দ্রুত ব্যবস্থা করার জন্য আপনার উদ্যোগ নিন আমি আপনাদের পাশে আছ। গত শনিবার উত্তরা এ্যাবাকাস রেস্টেুরেন্টে রাত ৯টায় ঢাকা সমিতির মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন ।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির  কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ বাহাউদ্দনি বাবুল, উত্তরা পূর্ব থানা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কুতুবউদ্দিন আহমেদ, দক্ষিণখান থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হানিফ আলী, উত্তরা ১নং ওর্য়াডরে সভাপতি মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ খোকা,  গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সমিতির আজীবন সদস্য আখতারুজ্জামান, ঢাকা বার কাউন্সিলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আবদুল বাতেন, খিলক্ষেত থানা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক মোঃ আসলাম উদ্দিন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রানু, ১১নং কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উত্তরা এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফুর রহমান শরীফ, সমিতির সদস্য সচিব মোগল হোসেন ভূঁইয়া প্রমুখ।

পূর্ব থানার সভাপতি কুতুব উদ্দিন বলেন ঢাকাবাসীদের নিয়ে উন্নয়নমুলক সব ধরনের কাজে সহযোগী হবে এই বৃহত্তর ঢাকা সমিতি উত্তরা। শুধূ ঢাকায় নয় পুরো বাংলাদেশে এর পরিচিতি ছড়িয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

নারী নেত্রী খুকি বলেন উত্তরায় অনেকে অনেক সমিতি সংগঠন করার চেষ্টা করেছে হয়নি তবে বৃহত্তর ঢাকা সমিতি এবার তা করে দেখালো। তিনি বলেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, এম.পি গণ মানুষের নেত্রী। ১৮ আসনটি সাহারা খাতুন এমপির ঘাটি হয়ে থাকবে সবসময়।

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রানু বলেন অনেক দিন পর হলেও এই সমিতি আত্বপ্রকাশ করতে পেরেছে যা পরবর্তীতে আরো বড় আকারে রুপ নিবে। ঢাকাবাসীর জন্য এই বৃহত্তর ঢাকা সমিতি উত্তরা এক শুভ বার্তা।

 দক্ষিনখান থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হানিফ বলেন ঢাকাবাসী এক হয়ে যে এই সমিতি করছে তা ভালো লক্ষণ। এই সমিতি ঢাকাবাসীদের উন্নয়ন অগ্রগতিতে এগিয়ে যাবে। এ সমিতি সমাজের জন্য অনেক উন্নয়নমুলক কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

সমিতির সদস্য সচিব মোগল হোসেন ভুইয়া বলেন ২০১৬ সালের ৩০ শে জুলাই এই সমিতির যাত্রা শুরু হয় ৪০ জন সদস্য নিয়ে, আর এখন তা এক বছরে দ্বিগুন হয়ছে। সকলের সহযোগতিার মাধ্যমে এই সমিতিকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এসময় তিনি সমিতির অফিসের জন্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি কাছেও মৌখিক আবেদন জানান।

সমিতির আজীবন সদস্য জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান বাহাউদ্দিন বাবুল বলেন বৃহত্তর ঢাকা সমিতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে এই সমিতির জন্য একটি নিজস্ব স্থান দরকার। সমিতি আর ক্লাব এক নয় বলে জানান তিনি। সবার সহযোগিতা এই সমিতিকে অনকে দুর এগিয়ে নিয়ে  যাবে। 

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মৃত্রিকা বিজ্ঞানী ড.আব্দুল মজিদ মিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে এই সমিতি গঠন করা হয়েছে। আমরা যারা বৃহত্তর ঢাকা জেলার বাসিন্দা(মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর ও ঢাকা) তাদের কোন সমিতি নেই অথচ আমরা দেখি ঢাকার বাহিরের প্রায় সকল বৃহত্তর জেলার ঢাকায় সমিতি রয়েছে। বৃহত্তর ঢাকা জেলার উত্তরাতে স্থায়ীভাবে বসবাসকারীদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করণে এই সমিতির বিকল্প নেই। আমরা এক ও অভিন্ন হয়ে এই সমিতিকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে চাই। সকলের সহযোগিতায় এটা সম্ভব। আমরা সমিতিটাকে সদস্যদের আস্থায় জায়গায় পৌঁছাতে চাই। আমরা ইতোমধ্যে সমিতির পক্ষ থেকে অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছি। কিন্তু এর জন্য কোন সাধারন সদস্যর নিকট থেকে চাঁদা নেয়া হয়নি। সমিতির নির্বাহী কমিঠির সদস্যরাই সকল অনুষ্ঠানের খরচ বহন করে আসছে। এই সমিতিকে এ অবস্থায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে যারা ভুমিকা রেখেছেন তাদের প্রতি কৃতঞ্জতা প্রকাশ করছি। বিভিন্ন সময়ে সমিতিতে অনুদান ও জীবন সদস্যদের চাঁদা বাবদ ১,৬৫,০০০/-(এক লক্ষ পয়ষট্রি হাজার) টাকা জমা আছে। আমরা এ তহবিলটা ঠিক রেখে সামনের দিকে অগ্রসর হতে চাই। আগামী জানুয়ারী মাস থেকে প্রতি সদস্য মাসে ১০০/-(একশত) টাকা এবং একসাথে একবছরের জন্য ১০০০/-(একহাজার)টাকা প্রদানের প্রস্তাব করছি। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, সমিতি সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য একটি খসড়া গঠনতন্ত্র তৈরি করা হয়েছে। সাধারন সভায় অনুমোদের পর সে অনুযায়ী সমিতি পরিচালিত হবে। আমরা আগামী বছরের শুরুতেই একটি স্মরনিকা প্রকাশ করব। এতে সকল সদস্যদের নাম সন্নিবেশন করা হবে। আমাদের এই সমিতির কাযক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে একজন অভিভাবক প্রয়োজন। তাই আমি আজকের সভার প্রধান অতিথি আমাদের সবার মান্যবর অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন,এম.পি কে উক্ত সমিতির প্রধান উপদেষ্ঠা হিসেবে থাকার আহবান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন সময় সল্পতায় আমি আমার বক্তব্য দীর্ঘায়িত করতে চাই না। আমাদের আজকের এ আয়োজনে কোন প্রকার ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। অনুষ্ঠান সফল করার জন্য উপস্থিত সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। 

মতবিনিময় সভা শেষে এক প্রীতি ভোজের আয়োজন করে সমিতির সদস্যরা।

বিস্তারিত

বিনোদন

ডিপজল

দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে মনোয়ার হোসেন ডিপজল অভিনীত নতুন ছবি ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ এর ট্রেলার। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইউটিউবে মুক্তি দেয়া হয় ট্রেলারটি। মুক্তির চার দিনেও তা কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে ইউটিউব।  সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখ ট্রেলারটি মুক্তির পর এই চার দিনে ইউটিউব ও বিভিন্ন সাইট মিলে চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে এটির ভিউয়ের সংখ্যা।

 

ট্রেলার মুক্তির আগে সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায়। চলতি মাসের ২০ অক্টোবর মুক্তি পাবে খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’। রাজেস ফিল্ম প্রযোজিত সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্র দুলাভাইয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বহু সিনেমার খল অভিনেতা ডিপজল। তাঁর স্ত্রীর ভূমিকায় দেখা যাবে চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে।

সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে আরও দেখা যাবে নায়ক বাপ্পী চৌধুরী, নায়িকা মিম, আহমেদ শরিফ, অমিত হাসান, দিলারা, অরুণা বিশ্বাস, নাদির খান, শবনম পারভীন, সুব্রত ও ইলিয়াস কোবরার মতো অভিনেতাদের।

‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’র মাধ্যমে প্রায় দেড় বছর পর ডিপজলের নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। খল চরিত্রের পাশাপাশি তিনি যে কটি সিনেমায় ইতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। অসুস্থতার কারণে বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ডিপজল। সেখানে হার্টের অপারেশন করিয়েছেন অভিনেতা। অপারেশন শেষে চিকিৎসকরা তাকে দুই মাসের বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। আপাতত তাই

দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে মনোয়ার হোসেন ডিপজল অভিনীত নতুন ছবি ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ এর ট্রেলার। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইউটিউবে মুক্তি দেয়া হয় ট্রেলারটি। মুক্তির চার দিনেও তা কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে ইউটিউব।  সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখ ট্রেলারটি মুক্তির পর এই চার দিনে ইউটিউব ও বিভিন্ন সাইট মিলে চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে এটির ভিউয়ের সংখ্যা।

 

ট্রেলার মুক্তির আগে সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায়। চলতি মাসের ২০ অক্টোবর মুক্তি পাবে খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’। রাজেস ফিল্ম প্রযোজিত সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্র দুলাভাইয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বহু সিনেমার খল অভিনেতা ডিপজল। তাঁর স্ত্রীর ভূমিকায় দেখা যাবে চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে।

সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে আরও দেখা যাবে নায়ক বাপ্পী চৌধুরী, নায়িকা মিম, আহমেদ শরিফ, অমিত হাসান, দিলারা, অরুণা বিশ্বাস, নাদির খান, শবনম পারভীন, সুব্রত ও ইলিয়াস কোবরার মতো অভিনেতাদের।

‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’র মাধ্যমে প্রায় দেড় বছর পর ডিপজলের নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। খল চরিত্রের পাশাপাশি তিনি যে কটি সিনেমায় ইতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। অসুস্থতার কারণে বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ডিপজল। সেখানে হার্টের অপারেশন করিয়েছেন অভিনেতা। অপারেশন শেষে চিকিৎসকরা তাকে দুই মাসের বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। আপাতত তাই সিঙ্গপুরেই আছেন ডিপজল।

বিস্তারিত

খেলাধুলা

Olimpic

অষ্টাদশ শতাব্দীতে বাস্তিল দুর্গের পতন হোক কিংবা হালফিলের সন্ত্রাসবাদী হামলা, বরাবরই খবরের শিরোনামে সিটি অব লাইটস নামে পরিচিত ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস। আর এবার ১৯০০ এবং ১৯২৪ সালের পর ফের একবার অলিম্পিকের আসর বসতে চলেছে বিখ্যাত আইফেল টাওয়ারের শহরে।  

২০২৪ সালে অলিম্পিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের সরকারি অনুমতি পেয়ে গেল ফ্রান্সের ঐতিহ্যশালী শহরটি। অর্থাৎ প্রায় ১০০ বছর পর ফের একবার সেখানে অলিম্পিকের আসর বসবে। গতকাল বুধবার পেরুর রাজধানী লিমায় এই ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি। এছাড়া, ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলসে বসবে পরবর্তী অলিম্পিকের আসর।

এর আগে ২০০৮ এবং ২০১২ সালে অলিম্পিক আয়োজনের জন্য বিড করেও অল্পের জন্য ব্যর্থ হয়েছিল প্যারিস। আর এবার আয়োজনের লড়াই ছিল লস অ্যাঞ্জেলসের সঙ্গে। কারণ হ্যামবুর্গ (জার্মানি), রোম (ইটালি), বুদাপেস্ট (হাঙ্গেরি) আগেই লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল।  

এদিকে, প্রাথমিকভাবে লস অ্যাঞ্জেলসও ২০২৪ সালের অলিম্পিক আয়োজন করতে চেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থার কাছ থেকে ২০২৮ অলিম্পিক আয়োজনের সম্মতি মেলায় সরে দাঁড়ায় তারা এবং আর এরপরই প্যারিসের নাম ঘোষণা করা হয়।

 ১৯২৪ সালে শেষবার ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’-এর আসর বসেছিল সেখানে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের পর শহরের বেশিরভাগ অংশে কাজ চলবে। তাই ২০২০ সালে টোকিও-র পর অলিম্পিকের আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার জন্য মরিয়া ছিল প্যারিস।

জানা গিয়েছে, বুধবারের ঘোষণার আগেই আইফেল টাওয়ারের সামনে বসানো হয়ে গিয়েছে অলিম্পিকের লোগো। ঠিক হয়েছে ট্রায়াথলন, ম্যারাথন এবং ওপেন ওয়াটার সাঁতার হবে আইফেল টাওয়ার নিকটস্থ স্থানেই। এছাড়া বিচ ভলিবল খেলা হবে চ্যাম্পস দে মার্স-এ। শুধু তাই নয়, সাইক্লিং প্রতিযোগিতা শেষ হবে চ্যাম্পস-এলিসিসে। এখানেই বিখ্যাত সাইক্লিং প্রতিযোগিতা ‘ট্যুর দে ফ্রান্স’-এর অন্তিম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।  

এর পাশাপাশি অ্যাথেলিটক্সের জন্য বাছা হয়েছে স্টাডে ডে ফ্রান্স স্টেডিয়ামটিকে। যেখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল এবং ২০১৬ সালের ইউরো কাপের ফাইনাল। এদিকে, ১৯৩২ এবং ১৯৮৪ সালে অলিম্পিকের আসর বসেছিল আমেরিকার লস অ্যাঞ্জলসে। তাই তাঁদের আয়োজকরা ২০২৮ সালে অলিম্পিক সফলভাবে আয়োজনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাজ মোটামুটি পুরো করা রয়েছে তাঁদের।

বিস্তারিত

বিচিত্র খবর

Ma

স্তন্যদুগ্ধ পান করানো নিয়ে এক এক মায়ের এক এক ধরনের মতামত রয়েছে। প্রত্যেক সন্তানের কাছেই মাতৃদুগ্ধ নিয়ে বিশেষ সংবেদনশীলতা রয়েছে। ভারতের চেন্নাইয়ে প্রীতি বিজয় নামে এক শিল্পী মায়ের দুধ নিয়ে সেই ভাবাবেগকে একটি নতুন রূপ দিতে শুরু করেছেন। স্তন্যদানের অভিজ্ঞতাকে অমর করে রাখতে অনেক মায়ের যে উৎসাহ রয়েছে, তাকে আকার দিচ্ছেন তিনি।

৩০ বছর বয়সি এই শিল্পী মায়ের দুধ দিয়ে কানের দুল, আংটি, লকেটের মতো গয়না তৈরি করছেন। এমনকী, ঘরে সাজিয়ে রাখার মতো জিনিসও বানাচ্ছেন তিনি মাতৃদুগ্ধ দিয়ে।

প্রীতি নিজেও ছয় বছরের এক সন্তানের মা। একটি ফেসবুক ফোরামে স্তন্যদুগ্ধ নিয়ে গয়নার ব্যাপারে কথাবার্তা চলতে চলতে প্রীতির মাথায় স্তন্যদুগ্ধ দিয়ে গয়না বানানোর ভাবনা আসে। প্রীতি দক্ষিণ ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি আগে পলিমার ও মাটির গয়না বানাতাম। মনে হল নতুন এই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করলে কেমন হয়।

ইন্টারনেট থেকেই এই ধরনের গয়না বানানোর প্রশিক্ষণ নেন প্রীতি।

তবে সে পথ কঠিন ছিল। প্রায় ছ’মাস ধরে মায়ের দুধের গয়না তৈরির চেষ্টা করে অবশেষে সফল হন তিনি। এই বছরের মে মাস থেকে অর্ডার নেওয়া শুরু করেন তিনি। ক্রেতারা প্রীতিকে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। কীভাবে বুকের দুধ পাঠাতে হবে, তা বলে দেন তিনি। ঠিক অবস্থায় রাখলে মানুষের দুধ তাড়াতাড়ি খারাপ হয় না বলেই প্রীতির দাবি।

 

যদিও অনেক দিন হয়ে গেলে তা শিশুকে খাওয়ানো যায় না, কিন্তু সেই দুধ থেকে গয়না বানানোতে কোনও অসুবিধা হয় না। প্রীতির কাছে পৌঁছালে সেই দুধে প্রিজারভেটিভ মিশিয়ে ফ্রিজারে রেখে দেন তিনি। ওই অবস্থায় দুধ প্রায় ছ’মাস রেখে দেওয়া যায় বলে জানিয়েছেন তিনি।  

ধীরে ধীরে মাতৃদুগ্ধের গয়নার চাহিদা বাড়ছে। সপ্তাহে প্রায় ১২টি অর্ডার পেলেও, এই শিল্পী চার থেকে পাঁচটি গয়না বানাতে পারেন। ডিজাইন ও কী ধরনের ধাতু ব্যবহার করা হচ্ছে, তার উপর গয়নাটির দাম নির্ভর করে। ১০০০ থেকে ৪০০০ টাকার মতো দাম এই গয়নার।

শুধুই মাতৃদুগ্ধ নয়, প্রীতি মাঝে মাঝেই সন্তানের প্রথম দাঁত বা চুল, এমন কী জন্ম নাড়ি দিয়েও গয়না বা ঘর সাজানোর জিনিসের অর্ডার পান। প্রীতির কথায়, আসলে স্তন্যদান একটি অপূর্ব অভিজ্ঞতা এবং এটি মা ও সন্তানের মধ্যে একটি অদ্ভুত বন্ধন তৈরি করে। অনেকে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দেওয়ার জন্যই এই গয়না তৈরি করান।

তবে প্রীতি দুঃখ তিনি নিজের স্মৃতির জন্য কিছুই বানাতে পারেননি। কারণ তিনি এই গয়না বানানোর কায়দা আয়ত্ত করেন তাঁর সন্তান বড় হয়ে যাওয়ার পরে।  

বিস্তারিত

ছবিঘর

medialinks MAMS image
image



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
উত্তরা নিউজ ২০১৩-২০১৭