fghguyer552.jpg

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে কাঙ্ক্ষিত আয় হচ্ছে না। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩০ কোটি ৮১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। টাকার অংকে এ অর্থ প্রায় ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০  কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই হিসেবে সাত মাসে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাত্ এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ কম হয়েছে রপ্তানি। তবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রথম সাত মাসের তুলনায় এ খাতের রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৯১ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
 
জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে সবজি রপ্তানিতে ৫ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এ সময়ে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার  চেয়ে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ কম। তবে আগের অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের তুলনায় এ খাতের রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে সবজি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৭ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯৮ দশমিক ৩ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ মার্কিন ডলার। আলোচ্য সময়ে মশলা জাতীয় পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ৮৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। এ সময়ের মধ্যে এ খাতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের এ খাতের রপ্তানি আয়ের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম সাত মাসের আয় ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে মশলা জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ কোটি ৬৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ কম। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ের আয়ের তুলনায় এ খাতের আয় ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ কম। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের আয় ১৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৩ কোটি ২৯ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।
 
২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে চা রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে এ খাতে আয় হয়েছে ২২ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৫৯ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭১ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে চা রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে তামাক রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের আয় ১৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ কমেছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তামাক ও তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।


উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা