Editor

যান্ত্রিকতার এই যুগে সবাই নিজের আর্থিক  ও সামাজিক অবস্থানের উন্নয়নের  জন্য ছুটছে। আর এই ছুটতে গিয়ে অনেক বাবা-মা’ই সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেন না। এর ফলে বাবা-মা’র সঙ্গে সন্তানের মানসিক দূরত্ব বাড়ছে। সন্তান কখন-কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে, তার মানসিক অবস্থা, চিন্তার ধরণ কোনো কিছুই জানার ফুসরত হয় না বাবা-মা তথা অভিভাবকদের। গত কিছুদিনের ঘটনা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে সে বিষয়টিই দেখিয়ে দিয়েছে। পরিবারের আদরের সন্তানটির মনোজগতে আমূল পরিবর্তন ঘটছে অথচ মা-বাবা কিংবা অভিভাবকরা টেরও পাননি। তাদের চোখে ধুলা দিয়ে অনায়াসে বাড়ি ছেড়ে সন্ত্রাসবাদের রাজ্যে প্রবেশ করেছে এসব মেধাবী তরুণ।

সন্তানের মানসিক বিকাশের সবচেয়ে বড় ভূমিকাটি মা-বাবার। গুলশানের ঘটনার পর  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘আপনার সন্তানকে সুশিক্ষা দিন। তারা যাতে বিপথে না যায়, সেদিকে নজর রাখুন।’  অভিভাবকদের প্রতি তাই আমাদেরও পরামর্শ, আপনি শত ব্যস্ত হলেও এর ভেতরেই সন্তানকে যথেষ্ট পরিমাণে সময় দিন। তার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন, তার মনের ভাবনাগুলোকে মূল্যায়ন করুন। আদরের সন্তানটি যাতে অন্ধকার জগতে পা রাখতে না পারে সেজন্য এখনই উদ্যোগী হন।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি খান

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা