porba-nari

নিজের ভাগ্য ও পরিবারের অবস্থার পরিবর্তনের জন্য মমতাজ বেগম সৌদি পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মমতাজের ভাগ্যের চাকা সামনের দিকে ঘোরেনি, সেই চাকা উল্টো দিকেই ঘুরছে। তিনি আরও বেশি বিপদসঙ্কুল অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। রংপুর শহরের বাহারকাতের পাড়ার মৃত বাবা জহুরুল হকের পাঁচ ছেলে মেয়ের মধ্যে মমতাজ সবার ছোট। বিয়েও হয়নি তার। পরিবারের অসচ্ছলতা দূর করার জন্য গত ২২ সেপ্টেম্বর সরকারী ব্যবস্থাপনায় সৌদি যান। সেখানে তিনি চাকরির বদলে পেয়েছিলেন শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন। এই বর্বরতার বর্ণনা তিনি সেখান থেকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি। তবে মালিকের বাড়ি থেকে পালিয়ে বাঙালী এক পুরুষ কর্মীর সহযোগিতায় বাংলাদেশ দূতাবাসে যেতে পেরেছিলেন। সেখান থেকে তিনি বাড়িতে যোগাযোগ করেন। এরপর অনেক চড়াইউতরাই পার করে সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরেছেন।
যেতে অস্বীকার করলে অত্যাচার শুরু করে। জোর করে তাকে সেখান থেকে অনেক দূরে এক মালিকের বাড়িতে নিয়ে যায়। প্রথম দিন বাড়ির কাজ কর্ম বুঝিয়ে দেয়। রাতে শোয়ার জন্য একটা ঘর দেয়া হয়। সেই ঘরে কোন দরোজা নেই। খোলা ঘর। মালিকের দুই ছেলে এবং মালিক নিজে দিন রাতে পালাক্রমে আসেন। ‘সারারাত ঘুমাতে পারিনি। সে এক ভয়াবহ রাত। তখন নিজেকে নিঃশেষ করে দেয়ার জন্য হাতের কাছে তেমন কোন কিছু পাইনি। পেলে হয়তো ওই রাতটাই আমার জীবনের শেষ রাত হতো। পরের দিন অনেক কৌশলে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে যাই। আমার মতো আর কয়েকজন নারী নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কৌশলে পালিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে চলে আসেন।
 


উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা