veaina_un.jpg

অষ্ট্রিয়ায় সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। আওয়ামী লীগের সর্ব ইউরোপিয়ান শাখার সাধারণ সম্পাদক এম এ গনিকে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে না দেয়ায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিয়েনা সফর উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগ। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী ভিয়েনায় যান। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সর্ব ইউরোপিয়ান শাখার  সভাপতি অনীল দাশগুপ্ত, আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের  সভাপতি খোন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কবির প্রমুখ।

 

সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের  সাধারণ সম্পাদক এম এ গনিকে অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে আসন দেয়া হলেও বক্তব্য দিতে দেয়া হয়নি। এছাড়া অনুষ্ঠান স্থল থেকে বিদ্যুৎ বড়ুয়া ও যুবরাজ তালুকদারকে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বের করে দেয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসএসএফ সদস্যরা। অনুষ্ঠান শেষে শেখ হাসিনা মঞ্চ ত্যাগ করার পর সর্ব ইউরোপিয়ান  আওয়ামী লীগের সভাপতি অনীল দাশগুপ্তের কাছে কারণ জানতে চান ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ বড়ুয়া ও জার্মানির নর্দান বেস্ট ফরেন শাখার সভাপতি যুবরাজ তালুকদার।  এসময় তারা অনীল দাশ গুপ্তকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালাগাল করায় অনীল দাশগুপ্তের সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়।

 

ভিয়েনাতে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দাবি, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি হওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের সঙ্গে যুবরাজ তালুকদারের ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। যে কারণে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তাকে অনুষ্ঠান  থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম হক এ ব্যাপারে বলেন, সময় স্বল্পতার কারণে সিনিয়র নেতাদের অনেকেই বক্তব্য দিতে পারেননি। এ নিয়ে শীর্ষ দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / ডেস্ক রিপোর্ট

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা