মাশরাফি

টি-টোয়েন্টি থেকে ইতোমধ্যেই অবসর নিয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। ঢাকায় আসার পর এতদিন চুপ ছিলেন। কিছুই বলেননি কোনো মিডিয়ায়। তবে এবার মুখোমুখি হয়েছেন ইএসপিএন ক্রিকইনফোর। সেখানে মাশরাফি জানিয়েছেন, তিনি আরও দীর্ঘসময় ওয়ানডে খেলে যেতে চান। অন্তত যতদিন পারেন, ততদিন। একইসঙ্গে কথা বলেছেন মাঠের বাইরের আলোচনা-সমালোচনা নিয়ে এবং নতুন বলের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে।

প্রশ্ন: যদিও আপনি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন। তবে, এখনও ওয়ানডে ক্রিকেটে সামনের মাসগুলোতে আপনার বড় একটি ভূমিকা থাকবে...।

মাশরাফি : আমি সত্যিই ওয়ানডে ক্রিকেট উপভোগ করছি। একই সঙ্গে বলবো, ওয়ানডের তুলনায় টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টিতে আমরা একটু মন্থর গতিতেই এগুচ্ছি। যেখানে ওয়ানডেতে আমরা ১০ নম্বর (আইসিসি র‌্যাংকিং) থেকে দ্রুত ৭ নম্বর অবস্থানে পৌঁছে গেছি। আমরা ইতোমধ্যে অনেক বড় একটি ধাপ অতিক্রম করে ফেলেছি। এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র কিছু খেলোয়াড়ের দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে।

আমি ওয়ানডে ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসি এবং চাই যতদিন পারা যায় ততদিন খেলে যেতে চাই। তবে এ জন্য কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা কঠিন। বিশেষ করে বাংলাদেশে। আমি চাই খেলা চালিয়ে যেতে; কিন্তু আমি যদি খারাপ সময় অতিবাহিত করি এবং আমার ওপর যদি চাপ তৈরি হতে থাকে, তাহলে তো অবশ্যই একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে হবে।

প্রশ্ন : গত ইংল্যান্ড সফর পর্যন্ত কার্যকর একটি সময় পার করে এসেছেন। এখন কি ২০১৫ সাল থেকে ভিন্ন কোনো কিছু গ্রহণ করবেন?

মাশরাফি : ২০১৫ বিশ্বকাপের পর সত্যি বলতে, আমি নতুন বলে বোলিং করিনি। সম্ভবত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটা-দুটা ম্যাচে করেছি। খুব অল্পবয়সে যখন আমার ক্যারিয়ারের শুরু, তখন থেকে সবসময়ই আমি বোলিং ওপেন করতাম। সুতরাং, এ বিষয়টার ওপরই নতুন বলে আসলে আমার স্কিল গড়ে উঠেছে। যেকোনো একজন বোলারের স্কিল গড়ে ওঠে মূলত একটা পয়েন্টকে ভিত্তি করেই। মোস্তাফিজ যেমন নতুন বলের তুলনায় আধা-নতুন বলে খুব ভালো। কারণটা হচ্ছে তার কাটার। তাসকিন আর রুবেল ১০ ওভার পরে অনেক বেশি কার্যকর, যখন তারা বাইরে দু’জন অতিরিক্ত ফিল্ডার পেয়ে যায়। সৈয়দ রাসেল, তাপস বৈশ্য এবং মঞ্জুরুল ইসলামরাও সবাই ছিল নতুন বলে ভালো। একই ব্যাপার আমার ক্ষেত্রেও।

আমি হয়তো পুরনো বলে নিজেকে মানিয়ে নিতে পেরেছি। যদিও এটা প্রথম দিকে আমার জন্য কঠিন হয়েছে। এই ভূমিকাটাও আমি উপভোগ করতে শুরু করেছিলাম এবং দলও এ সময়ে এসে সাফল্য পেতে শুরু করেছিল। আমি ভাবলাম, এটাই তো ভালো। ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মোস্তাফিজ শুরুতেই উইকেট পেতে শুরু করলো। এরপর যখন সে ইনজুরিতে পড়লো, আমি আবারও বোলিং ওপেনিংয়ে ফিরে আসলাম। আমার সারাজীবনে এটাই করে গেছি। গত বছর আফগানিস্তানের বিপক্ষে যখন আমি নতুন বলে বোলিং শুরু করলাম, তখন আগের ছন্দটাই ফিরে পেলাম। যেখানে শেষ করেছি, সেখান থেকেই শুরু করলাম।

প্রশ্ন: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে আপনার প্রথম স্পেলই বলতে গেলে বাংলাদেশের পক্ষে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। আসলে কিভাবে আপনি শুরুতে এভাবে ব্রেক থ্রু এনে দেয়ার দক্ষতা অর্জন করেছেন?

মাশরাফি: আসলে এটা নির্ভর করে বোলারের আত্মবিশ্বাস এবং সামর্থ্যের ওপর। মানুষ তামিম ইকবালকে অনেকসময় দোষারোপ করে, যদি সে দ্রুত আউট হয়ে যায়, রান করতে না পারে; কিন্তু মনে রাখতে হবে, সে ওয়ানডেতে শুরুতে দুটি নতুন বলের মোকাবেলা করে। এ চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করার সামর্থ্য তার আছে বলেই সে এটা করে যাচ্ছে। আমার ক্ষেত্রে আমি বলবো, আফগানিস্তান সিরিজের সময় আগের বলে শেহজাদ ছক্কা মেরে দিল। পরের বলেই কট বিহাইন্ড করে তার উইকেট তুলে নিলাম। আমার আত্মবিশ্বাস ফিরে এলো। ওই সময় আমি অনুভব করতে শুরু করলাম যে, তাহলে আমিই সেরা এবং এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও আমি ব্রেক থ্রু এনে দিতে পেরেছি।

সবচেয়ে বড় কথা একজন অধিনায়ক এবং সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে এটা সাধারণ বিষয় যে, আমাকে অনেক বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। খুব আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এটা আমি গ্রহণ করি এবং একে আমি উপভোগও করি বেশ।

প্রশ্ন: বর্তমান সময়ের ট্রেন্ড হলো একেবারে প্রথম ওভার কিংবা প্রথম বল থেকেই ওপেনাররা খুব আক্রমণাত্মক খেলেন। একজন বোলারের জন্য এমন পরিস্থিতিতে নিজের ওপর আস্থা এবং বিশ্বাস ধরে রাখা কতটা কঠিন?

মাশরাফি : আসলে আমার আত্মবিশ্বাস এসেছে মূলত দীর্ঘ ক্যারিয়ার থেকে, যখন থেকে আমি খেলা শুরু করেছি, তখন থেকেই। আমি যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি, তখন মনে করতাম, খুব ভয়ঙ্কর কোনো ওপেনার তো সম্ভবত এখন আর নেই। অথচ প্রতিটি দলেই ছিল বিখ্যাত সব ওপেনিং ব্যাটসম্যান। ভারতের ছিল গৌতম গম্ভীর, বিরেন্দর শেবাগ, অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথিউ হেইডেন, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, শ্রীলঙ্কার সনাৎ জয়সুরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার হার্সেল গিবস এবং গ্রায়েম স্মিথ। তবে বর্তমান সময়ের ওপেনাররা টেকনিক্যালি খুব ভালোমানের নয়। এ কারণে আমার কাজটা সহজ হয়ে যায়।

প্রশ্ন: আপনি বলেছেন, ড্রেসিং রুমে কোর্টনি ওয়ালশের উপস্থিতি আপনার জন্য ভিন্ন কিছু। তাহলে কি আপনি আপনার অ্যাপ্রোচে ছোট কোনো পরিবর্তনও এনেছেন তার কাছ থেকে?

মাশরাফি: আমি আমার অ্যাকশনে কখনোই বড় কোনো টেকনিক্যাল পরিবর্তন আনিনি। কখনও আত্মবিশ্বাস কমে গেলে আমি সময় নিয়েছি। তবে আমার কখনোই তেমন বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়নি। কোর্টনি ওয়ালশ আসার সময় কাকতালীয়ভাবে আমিও নতুন বলে বোলিং শুরু করেছিলাম। তিনি আমাকে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে সহায়তা করেছেন।

তিনি তার নিজস্ব ভঙ্গিতে একজন বোলারকে কার্যকর করে তোলার চেষ্টা করছেন। তিনি একজন কিংবদন্তি। সুতরাং, যদি আপনি একইবিষয় নিয়ে তার সঙ্গে একের পর এক আলোচনা করে যাচ্ছেন, তখন তিনি এমন কিছু বলবেন, যেটা নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। এটা আপনাকে আপনার চিন্তার অন্য জগতেও নিয়ে যেতে পারে। আমি সবসময় তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। তাকে অনেক প্রশ্ন করি; কিন্তু আমি জানি, সাফল্য পুরোপুরিই আমার আত্মবিশ্বাসের ওপর নির্ভরশীল, কোনো বড় পরিবর্তনের মধ্যে নয়।

গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডের সময় তিনি আমাকে বললেন, আজ পাঁচ উইকেট নিতে হবে। আমি হাসিমুখে মাঠে চলে গেলাম এবং ম্যাচ খেলতে গিয়ে পেলাম চার উইকেট। এরপর যখন ড্রেসিংরুমে ফিরে এলাম তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমি আমার কথা রাখোনি, এক উইকেট কম নিয়ে এসেছ!

প্রশ্ন: আপনার বোলিংয়ের এমন একটা পয়েন্ট বলুন, যেটা আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেয়।

মাশরাফি : উইকেট সবসময়ই আমাকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়ে যায়। তবে প্রথম বল সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রথম বলকে আপনি যেখানে বল ফেলতে চান সেখানে যদি ফেলেন, তাহলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। এটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনিচ্ছাকৃতভাবে ইনসুইং কিংবা আউট সুইংয়ের মধ্যেও অনেক পার্থক্য থাকে, যখন আপনি ইচ্ছা অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো ডেলিভারি দিতে পারবেন। আপনি চাইলে জেনে-বুঝে এটা দিতে পারেন। তখন উইকেট পাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। যখন অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো বলে ইনসুইঙ্গার কিংবা আউটসুইঙ্গার হয়ে যায়, তখন সেটা ব্যাটসম্যানের জন্যও অনেকটা অসুবিধাজনক অবস্থায় চলে যায়। তখন তারা বুঝতে পারে না, বলটাতে আসলে কী হতে যাচ্ছে।

আমার ক্ষেত্রে আমি বলবো, যদি প্রথম বলটা অফ স্ট্যাম্পের ওপর রাখতে পারি, ব্যাটসম্যান বাম হাতি কিংবা ডান হাতি যাই হোক, তাহলে আমি আত্মবিশ্বাস ফিরে পাই। এখানে ব্যাটসম্যান বলটাকে ডিফেন্স করলো নাকি অন ড্রাইভ করলো সেটা কোনো ব্যাপার নয়। যদি এটাতে বাউন্ডারি হয়, তখন হয়তো খানিক্ষণের জন্য মন খারাপ হয়, তবে আত্মবিশ্বাস হারাই না। কারণ, বলটা যেখানে চেয়েছি সেখানে ফেলতে পেরেছি। এ কারণে আমি মনে করি প্রথম বলটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের বোলারদের দীর্ঘদিনের সমস্যা এটা যে- বোলাররা একটি উইকেট পেলে পরের বলটিই করে বসে খুব বাজে। এ সমস্যা নিয়ে কাজ করার বিষয়ে কোন চিন্তা কি আছে আপনার মাথায়?

মাশরাফি: আমি মনেকরি অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটা কমে আসবে। আমাদের হাতে প্রায় অনভিজ্ঞ একটি বোলিং ইউনিট। মোস্তাফিজুর হয়তো খুব অল্পসময়ের মধ্যে অনেক সাফল্য পেয়ে গেছে। এটাকে ধরে রাখার এবং তার সাফল্যের মাত্রাটা বাড়িয়ে নেয়ার দায়িত্ব এখন তার কাছে। প্রতিটি ম্যাচেই পাঁচ উইকেট করে নিক, এমনটাও আপনি তার কাছে আশা করতে পারেন না। কারণ, প্রতিটি প্রতিপক্ষই এখন তাকে নিয়ে অনেক বেশি গবেষণা করে। তারা অনুভব করে মোস্তাফিজকে যদি উইকেট নেয়া থেকে বিরত রাখা যায়, তাহলে আমাদের উইকেট নেয়ার ক্ষমতা অনেকটা কমে গেলো। আমার বিশ্বাস এই বোলাররা, মোস্তাফিজ, তাসকিন এবং রুবেল- অভিজ্ঞতা বাড়ার পাশাপাশি আরও অনেক পরিণত হবে।

বাংলাদেশ দল এখন রয়েছে সঠিক কার্যকরি পরিষদের হাতে। যাদের মধ্যে রয়েছেন কোচিং স্টাফরাও। তারা ক্রিকেটারদের সঠিক পথে পরিচালনা করছেন। তাদেরকে এসব টেকনিক্যাল পয়েন্টগুলো নিয়েও ভাবতে হবে। আমার মনে হয় না, এসব ছোট-খাট বিষয়গুলো দীর্ঘদিন থাকবে। আমাদেরকে এগুলো দ্রুত শোধরানো দরকার।

প্রশ্ন: শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি কে?

মাশরাফি: এটা সম্ভবত মেহেদী হাসান মিরাজ। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে তার অভিষেক হয়েছে এই সফরে। সবেচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো একজন মানুষ হিসেবে তার ইতিবাচক মনোভাব। এটা আমাকে খুব অবাক করেছে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে যখন আমি (২৬তম ওভারে) ব্যাট করতে নেমেছি, তখন আমি তাকে বললাম ৪১তম ওভার পর্যন্ত টিকে থাকতে। কারণ, আমরা খুব ভালো অবস্থানে ছিলাম না। আমরা অনেকগুলো উইকেট হারিয়ে ফেলেছিলাম। যখন একটি ওভার মেডেন খেলে ফেললো, সে আমার কাছে আসলো এবং বললো, এভাবে খেলতে পারবে না। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কেন? সে বললো, আমরা হারবো এই ম্যাচে। সেটা দুই রানে হোক আর ১৫০ রানে হোক। ‍সুতরাং, আমাদেরকে আরও ইতিবাচক খেলা উচিৎ। এটা হয়তো আমাদের সামনে জয়ের একটা সুযোগও তৈরি করে দিতে পারে।

পরের ওভারে আমি দুটি বাউন্ডারি মারলাম। এরপর সে আমার কাছে আসলো এবং বললো- এটাই আমাদের খেলা। এভাবেই আমরা খেলবো। আমরা ম্যাচটা হেরেছি সত্য; কিন্তু তার ইতিবাচক অবস্থান আমার খুব ভালো লেগেছে।

পরের দিন রাতে সে আমাদের সামনে কিছু অভিনয় করে দেখাল। অনেকটা ছোটবেলায় সে যেভাবে করতো, তেমনই। এটা ছিল খুবই মজার; কিন্তু আমরা অন্যরা এটা করে দেখাতে পারলাম না। এটা ছিল মাঠের বাইরের ব্যাপার। তবে এখানেও দেখলাম তাকে সে খুব আত্মবিশ্বাসী। আমার বিশ্বাস- এ বিষয়টা তার খেলায়ও বেশ প্রভাব বিস্তার করবে।

প্রশ্ন: গল টেস্টের পর বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। এসব কথা-বার্তায় যোগ হয়েছে টি-টোয়েন্টিতে আপনার অবস্থানের বিষয়টিও। আপনি এই ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছেন। সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের কথাবার্তা আপনাকে কতটা প্রভাবিত করেছে?

মাশরাফি : পৃথিবীর সব মানুষই অন্য মানুষের কিছু কথা নেয়, কিছু কথা ছাড়ে। বিষয় হচ্ছে কে কতটুকু নিল বা ছাড়ল। কেউ ইতিবাচক কথা বেশি নেয়, কেউ নেতিবাচক বিষয় বেশি নেয়। এটা ঠিক, মানুষ যখন নেতিবাচক কিছু বলে তখন সেটা আমার ভেতরেও প্রবেশ করে। তবে আমি বিশ্বাস করি, দিন শেষে সিদ্ধান্তটা আমারই। মাঠের পারফর‌ম্যান্সের ওপর ভিত্তি করেই সব কিছু হবে। কারও কথার ওপর ভিত্তি করে নেতিবাচক মনোভাব চলে আসাটা আমি বিশ্বাস করি না। হ্যাঁ, সে রকম কিছু হলে মানসিক চাপ একটা থাকেই। আমার কথা বলছি না। যার ক্ষেত্রেই হোক, মানসিক চাপ থাকে। তখন আপনিও বুঝবেন মানসিক চাপ তৈরি করে কেউ আপনার বিরুদ্ধে কোনো ক্ষেত্র তৈরি করছে কি না। নাকি আপনি আসলেই খারাপ কিছু করছেন।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা