masssssssa

নেলসনে সিরিজে দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকে ২৫২ রানের টার্গেট পায় বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে এক পর্যায়ে ১ উইকেটে ১০৫ রান তুলেও ফেলেছিল টাইগাররা। কিন্তু এরপরই খেই হারিয়ে বসে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। যাওয়া-আসার মিছিলে শামিল হয়ে ১৮৪ রানে নিজেদের ইনিংস শেষ করে দেন সাকিব-মাহমুদুল্লাহ-ইমরুলরা। ফলে ৬৭ রানের হারে সিরিজ খুইয়ে বসলো বাংলাদেশ। 
 
তাই বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানদের আরও ধৈর্য্যশীল হওয়া উচিত বলে মনে করেন দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি বলেন, ‘রানের জন্য বেশি তাড়াহুড়া করেছে ব্যাটসম্যানরা। সবার আরও বেশি ধৈর্য্যশীল হওয়া উচিত ছিলো।’ টস জিতে প্রথমে বোলিং করে কিউইদের গুটিয়ে দেন মাশরাফিরা 
 
জবাবে দলীয় ৩০ রানে তামিম ইকবাল ফিরে গেলেও, দ্বিতীয় উইকেটে ৯৪ বলে ৭৫ রানের দুর্দান্ত এক জুটিতে টার্গেট স্পর্শ করার পথ তৈরি করছিলেন ইমরুল কায়েস ও সাব্বির। কিন্তু রান আউটের ফাঁদে পড়ে দলীয় ১০৫ রানে সাব্বির বিদায় নেন। এরপরই যাওয়া আসার মিছিল শুরু করেন দলের ব্যাটসম্যানরা। ফলে ১৮৪ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। 
 
তবে এই যাওয়া আসার মিছিলটা না করে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের আরও ধৈর্য্যশীল হওয়া উচিত বলে মনে করেন মাশরাফি, ‘ইমরুল-সাব্বিরের পর পরের দিকে ব্যাটসম্যানদের আরও দেখেশুনে খেলা উচিত ছিলো। রানের জন্য বেশি তাড়াহুড়া করেছে ব্যাটসম্যানরা। সবার আরও ধৈর্যশীল হওয়া উচিত ছিলো। স্বাভাবিক খেলাটা খেলা উচিত ছিলো সবার। দেখেশুনে খেলতে পারলে এমনটা হতো না। এ ছাড়া ইমরুল বা সাব্বিরের বড় ইনিংস খেলাও দরকার ছিলো। কারন উইকেটে নতুন ব্যাটসম্যান গেলে, তার সেট হতে সময় লাগে। তাই সেট হওয়া বড় ইনিংস খেললে সুবিধা হতো।’
 
তবে সাব্বিরের রান আউটই ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছে বলেও জানান ম্যাশ, ‘সাব্বিরের রান আউটটি না হলে আরও ভালো অবস্থায় যেতে পারতাম আমরা। তার আউটটি ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছে। তার আগ পর্যন্ত আমরা সঠিক পথেই ছিলাম। তবে তৃতীয় ম্যাচে দল ভালো খেলবে আমার বিশ্বাস।’ বাসস।


উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা