dshgytew68.jpg

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক বলেছেন, দেশের স্বার্থেই সকলকে আইন-কানুন সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। তাদের সরকারের সকল কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত করা এবং সরকারি সেবা প্রদান ও প্রাপ্তি সহজলভ্য করার জন্য আমাদেরকে নিরলসভাবে কাজ করলেই শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা করা সহজতর হবে। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োজনীয় ব্যবহার শুদ্ধাচার চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
 
বুধবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন’ সংক্রান্ত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 
 
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আজ সর্বক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করছি বলেই দেশে আজ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় দুর্নীতি, হয়রানি কমেছে। কারণ, ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল অনুষঙ্গই হচ্ছে ই-গভার্নেন্স। ই-গভার্নেন্স প্রতিষ্ঠায় জোর দেয়ার ফলে আজ আমরা উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ই-ফাইলিং কর্মকান্ড নিয়ে যেতে পেরেছি এবং প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ই-গভার্নেন্স বাস্তবায়নে কাজ করছে। ফলে, সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে জনগণের সময় ও অর্থ অপচয় রোধ হচ্ছে এবং হয়রানি কমেছে।  আমি আস্থাশীল ও বিশ্বাস করি যে, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা যে ২০২১ সালের মধ্যে সরকারি সেবার ৯০ শতাংশ অনলাইনে নিয়ে আসার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা সর্বোত্তম শুদ্ধাচার চর্চার মাধ্যমে আপনারাই বাস্তবায়িত করবেন।’
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানোর ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবার ইতিবাচক সাড়া দান ও সাশ্রয়ের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন,  একটি দুটি মানসিক পরিবর্তন বড় ধরণের জাতীয় পরিবর্তন সৃষ্টি করে। প্রধানমন্ত্রীর কিছু কিছু যুগান্তকারী ও বাস্তবমুখী সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি অফিসগুলো এখন জনবান্ধব অফিসে পরিণত হয়েছে। এখন সরকারি কর্মকর্তারা সততা ও নিষ্টার সঙ্গে কাজ করার পরও আউট অব বক্স চিন্তা করছে। তাদের মানসিকতা পরিবর্তিত হয়েছে। তাই, নিজের মানসিকতার পরিবর্তনই সবচেয়ে বড় শুদ্ধাচার।
 
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে উক্ত সেমনিারে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হারুনুর রশিদ, অতিরিক্ত সচিব পার্থ প্রতিম দেব, অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক প্রমুখ।


উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা