হিজরা

প্রতিটি মানুষই নারী-পুরুষ দুই ভাগে বিভক্ত। তবে কখনো কখনো মাতা-পিতার জিনঘটিত বা হরমোনজনিত সমস্যার কারণে সন্তান হিজড়া হয়। একজন সুস্থ মানুষের সঙ্গে কিছু বৈশিষ্ট্যের গরমিল ছাড়া তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তার পরও তারা চরমভাবে অবহেলিত। মানুষ হয়েও যেন মানুষ না, এমনকি পরিবারের কাছেও অগ্রহণযোগ্য। রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পেলেও নাগরিক সুবিধার বিন্দুমাত্র পায় না! বেঁচে থাকার জন্য করতে হয় নিরন্তর সংগ্রাম। ভারী মেকআপের আড়ালে পোষে এক পাহাড়সম দুঃখ! হিজড়া জনগোষ্ঠীর নানা দিক নিয়ে লিখেছেন কবীর আলমগীর

পুরান ঢাকার শ্যামপুরের এক বনেদি পরিবারে জন্ম গৌতম বণিকের। মা-বাবার আদরের সন্তান। স্কুলে যাওয়া, বন্ধু-বান্ধব, ভাই-বোনদের সঙ্গে হাসি-খুশিতেই কাটছিল তার কৈশোরজীবন। একসময় বয়স বাড়ে গৌতমের। কিন্তু যতই দিন যায় সে ঘরকুনো স্বভাবের হয়ে ওঠে। অন্য ভাইয়েরা খেলতে যায় মাঠে, নদীর ধারে; কেবল গৌতমের জীবনটা কেমন যেন আড়ষ্ট হয়ে যায়। সে তার ভেতরে ভেতরে ঘটে যাওয়া এক পরিবর্তন সঙ্গে নিয়ে বেড়ে ওঠে। সে সাজতে পছন্দ করে, রান্না করতে পছন্দ করে; পুরুষরূপী শরীরের আড়ালে এক নারীর স্বভাব নিয়ে কাটায় দিন। যা মেনে নিতে পারে না তার ভাইয়েরা। চলে শাসন, বারণ, এমনকি শারীরিক নির্যাতন। কেবল ঘরের ভেতর নির্যাতন নয়, বাইরে থেকেও আসে আঘাত, ‘তুই এমন কেন? ছেলে হয়ে মেয়ের মতো আচরণ করিস? তুই হিজড়া, তোর মুখ দেখাও পাপ!’

সময় কাটে নানা রকম গঞ্জনা সয়ে। আর এভাবেই নানা বঞ্চনা আর অবহেলার মধ্য দিয়েই ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দেয় গৌতম। মেয়েসুলভ স্বভাব দেখে একদিন গৌতমের এক ভাই বলেন, ‘তোর জন্য আমাদের মানসম্মান চলে যাচ্ছে। তুই কি বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে পারিস না?’ গৌতম বলে, ‘কেন যাব। আমি তো চুরি করি না, খারাপ কিছু করি না। ’ ভাইয়ের জবাব—‘তুই চোরের থেকেও খারাপ, তুই হিজড়া। ’ এভাবেই নিজের কথাগুলো বলছিলেন একসময়ের গৌতম বণিক থেকে আজকের অনন্যা বণিক। শৈশবের স্মৃতিচারণা করে অনন্যা বলেন, ‘বুঝতে পারলাম, আমার কারণে আমার পরিবার অশান্তিতে ভুগছে। মাকে নানা কথা শুনতে হচ্ছে। একদিন চিন্তা করলাম, মাকে মুক্তি দেব, পরিবারের সদস্যদের মুক্তি দেব। তাই সত্যিই একদিন বেরিয়ে পড়ি রাস্তায়। ’

ঢাকার মধ্য বাড্ডার আরেকজন চৈতি। তিনি তাঁর স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘ওই বয়সে দেখা যায় আমি ছেলে। কিন্তু মেয়েদের জিনিসের জন্য কান্নাকাটি করতাম। মেয়েদের জিনিস দিয়ে নিজেকে সাজাতাম। দেহ পুরুষ আর অন্তর নারীদের। ’ প্রাথমিকে লেখাপড়ায় ভালো ছিলেন জানিয়ে চৈতি বলেন, “ক্লাস ফোরে ওঠার পর থেকে রেজাল্ট খারাপ হতে থাকে। এইচএসসিতে ভীষণ মানসিক বিপর্যয়ে পড়ি। সবাই বলত—‘তুমি তো ছেলে, তুমি কেন মেয়েদের মতো করে চলবা, কাপড় পরবা। ’ হাতে নেইলপলিশ মেখে স্কুলে গিয়েছি, ম্যাডাম বেত দিয়ে পেটাতেন। বলতেন, ‘তুমি না ছেলে মানুষ, তুমি এ রকম করছ কেন। ’ তখন রাগ করে তিন মাসের জন্য অন্য জায়গায় চলে যাই। পরে মা আমাকে নিয়ে আসেন। ” এর কিছুদিন পর চৈতি বুঝতে পারেন, তিনি পরিবারে শুধু এক অবাঞ্ছিত সদস্য। একদিন রাজবাড়ী থেকে চলে আসেন ঢাকায়, ওঠেন এক গুরু মায়ের কাছে।

গুরু-শিষ্যের পরম্পরা

পরিবার ছেড়ে যে হিজড়ারা আসেন, তাঁদের বেশির ভাগই আশ্রয় নেন গুরু মা অথবা বাবার কাছে। কেবল একজন নয়, একই আশ্রয়ে থাকেন ১২-১৩ জন, এমনকি ৫০-৬০ জনও। পুরো ঢাকা শহরে হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য রয়েছে প্রায় ৫০ জন গুরু। রাত হলে তাঁরা গুরুর আশ্রয়ে ফিরে যান, সকাল হলে বেরিয়ে পড়েন জীবিকার তাগিদে। হিজড়াদের কেউ গান করেন, নাচ করেন, কেউ ছেলে নাচান, কেউ বাজারে, ফুটপাতে কিংবা বাসের যাত্রীদের কাছে উপার্জনের জন্য হাত পাতেন। নিজের একসময়ের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সিনিয়র লিয়াজোঁ অফিসার অনন্যা বণিক বলেন, ‘আমাদের গুরুর নাম বকুল হাজি। ওই জায়গায় আমরা ১৩-১৪ জন থাকতাম। শুরুর দিকে নতুন হিজড়ারা ভালো জীবন যাপন করতে পারতাম না। কেউ কাপড় ধুতাম, একজন থালাবাসন মাজতাম, আবার সকাল ৯টার দিকে বেরিয়ে পড়তাম। ’ তবে সব গুরু সমান নন, কেউ কেউ খারাপ আচরণও করেন। ঠিকমতো গুরুর আশ্রয়ে খাবার পাওয়া যায় না। হিজড়াদের উপার্জনের বেশির ভাগ টাকা চলে যায় গুরুর পকেটে।

আনন্দবাজার বস্তিতে থাকা রুকসানা বলেন, ‘সারা দিনে যা ইনকাম হয়, তার পুরো টাকা আমরা গুরুর হাতে তুলে দিই। গুরুকে মান্য করি, গুরু আমাদের আশ্রয় দেন; সুতরাং তাঁর অসন্তুষ্টি হয় এমন কোনো কাজ করি না। তবে কেউ কেউ খারাপ ব্যবহারও করে। ধরেন, ১০০ টাকা উপার্জন হলে গুরু রেখে দেন ৬০ টাকা। বাকি ৪০ শতাংশ বিভিন্ন ভাগে ভাগ হয়। বয়সভেদে ১০০ টাকার মধ্যে কেউ পায় ২০ টাকা, কেউ পায় ১৫ টাকা আবার কেউ পায় তারও অনেক কম। ’ গুরু যতই খারাপ ব্যবহার করুক না কেন, তবু রয়ে যেতে হয়। কারণ গুরুই হলো তাদের আদর্শিক আশ্রয়। গুরুর সব কিছু মেনে নিয়েই তাদের থাকতে হয়। মতিঝিলে বসবাসকারী সুইটি হিজড়া বলেন, ‘কোথায় যাব? আমরা কী করব? আমাদের ফিরে যাওয়ার তো কোনো পথ নেই। তাই গুরুকে ছেড়ে চলে আসা সম্ভব না। ’

অবহেলার জীবন

বাংলাদেশ সরকারের হিসাব মতে, সারা দেশে মোট হিজড়ার সংখ্যা ১০ হাজার। তবে বেসরকারি হিসাবে অন্তত এক লাখ। এর মধ্যে শুধু ঢাকায়ই রয়েছে পাঁচ-ছয় হাজার। ঢাকায় বসবাসকারী এ জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগই বেকার, এদের নির্দিষ্ট কোনো উপার্জনমাধ্যম নেই। এরা মানুষের কাছে হাত পাতে, কেউ বা নাচ-গান করে, কেউ নবজাতক নাচিয়ে টাকা উপার্জন করে। কেবল বেকারত্ব আর অনিশ্চিত জীবনই নয়, রয়েছে তাদের প্রতি সামাজিক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবও। হিজড়াদের কষ্টের কথা উল্লেখ করে অনন্যা বণিক বলেন, ‘আমার মতো চাকরি কতজন করতে পারছেন। সুযোগ-সুবিধার অভাবে সবাই তো লেখাপড়া করার সুযোগই পাননি। যাঁদের জীবিকা নেই তাঁদের অবস্থা আরো শোচনীয়। ’ দয়াগঞ্জের বাসিন্দা আনুরী বলেন, ‘পথে-ঘাটে বের হলেই মানুষ আমাদের নিয়ে কানাঘুষা করে, নানা কথা বলে, কুপ্রস্তাব দেয়। আমাদের জন্য তো বস্তি বরাদ্দ। ভালো বাসা ভাড়া নিতে গেলেও বাড়ির মালিক দিতে চান না। দিতে চাইলেও ডাবল ভাড়া দাবি করেন। ’ মালিবাগের পুষ্পিতা বলেন, ‘আমরা ভিক্ষা করতে গেলেও মানুষ আগের মতো সহায়তা করে না। আবার ধরেন আমরা বাসে উঠলাম। পাশের সিট ফাঁকা। কিন্তু মানুষ আমাদের সঙ্গে বসবে না। রাস্তায় অনেক যন্ত্রণা। মানুষ ঘৃণার চোখে তাকায়। তুই তুই করে কথা বলে। ঠাট্টা-তামাশা করে। ’

নীরবে কাঁদে মন

পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও কখনো কখনো তাঁরা পরিবারের সুখের মুহূর্তগুলো অনুভব করেন। তাঁরাও সংসার করতে চান, ঘর বাঁধতে চান ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে। ধরা যাক শাম্মীর কথা। কোনো একসময় সশস্ত্র বাহিনীর এক সদস্যের সঙ্গে শাম্মীর পরিচয় হয়। নতুন পরিচিত মানুষের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। একসময় ছেলেটির প্রেমে পড়েন শাম্মী। তিনি জানান, তিনি বাইরে যা ভেতরে এক অন্য মানুষ। তবু ওই ছেলেটি শাম্মীকে নিয়ে সংসার করতে চান। শেষ পর্যন্ত পরিবারের আপত্তির মুখে শাম্মীর জীবন থেকে ছেলেটি সরে যান। তেজতুরী বাজারের ছলনা হিজড়া ভালোবাসার নামে শুধু প্রতারিতই হয়েছেন। দীর্ঘ সময় প্রেম করেছেন এক ছেলের সঙ্গে। একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। ভালোবাসার অভিনয় করে একসময় ওই ছেলেটা ৭০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। ‘অপরূপ বাংলাদেশ’ নামে তেজতুরী বাজারের একটি সমবায় সমিতির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমাদের সমিতিতে অনেক হিজড়া টাকা জমা করেন। কিন্তু অনেকে তাঁদের সঙ্গে বিয়ের অভিনয় করে কিছুদিন একসঙ্গে থেকে সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। এ রকম ঘটনা প্রায়ই ঘটে। ’

বিড়ম্বনায় পথের মানুষ

‘হিজড়ারা সমাজ, রাষ্ট্র ও পরিবার থেকে বিতাড়িত—এই কষ্টের সঙ্গে সমবেদনা জানাতে হয়। কিন্তু এঁদের কেউ কেউ পথে-ঘাটে বিরূপ আচরণ করেন। ফলে অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়’—এমন কথা জানালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলের ছাত্র মো. রেজাউল করিম। ঢাকার বনানীতে বেসরকারি এক কম্পানিতে চাকরি করেন মো. এহতেশাম কাজী। তিনি বলেন, ‘একদিন বাসে উঠে কয়েকজন হিজড়া ভিক্ষা চাওয়া শুরু করলেন। ১০ টাকা দিতে চাইলাম। জোর করে মানিব্যাগ থেকে ৫০ টাকা নিয়ে গেল। ’ হিজড়াদের আচরণ এ রকম কেন? জানতে চাইলে শাম্মী বলেন, ‘আমাদের তো সংসার নেই, পরিবার নেই। আমরা নিপীড়িত-লাঞ্ছিত। ভিক্ষা ছাড়া আমাদের উপার্জনের কোনো পথ নেই। নানা বঞ্চনার মধ্যে থাকতে থাকতে কখনো কখনো মেজাজ ঠিক রাখা যায় না। এ কারণে হিজড়াদের কেউ কেউ রাগ দেখায়। কেউ যদি আমাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন, আমরা তাঁদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করি। আমরাও তো মানুষ। ’ এ ছাড়া জানা গেছে—ভালো মানুষকে হিজড়া বানিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছে। একাধিক অসাধুচক্র হিজড়াদের নিয়ে ব্যবসা করে। তারা প্রতারণার মাধ্যমে অল্প বয়সী ছেলে-মেয়ে সংগ্রহ করে। এক শ্রেণির অসাধু ডাক্তারের সহায়তায় যৌনাঙ্গ কেটে ওষুধের মাধ্যমে পরিণত করা হয় হিজড়ায়। পরে চাঁদাবাজি, পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। পেটের দায়ে বা প্রলোভনে পড়ে কেউ যেন এমন পথে পা না বাড়ায়, তার জন্য যেমন দরকার সামাজিক সচেতনতা, তেমনি দরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি। বিদ্যমান প্রতারকচক্রগুলোকে আইনের আওতায় নেওয়ার জন্য কঠোর পদক্ষেপও জরুরি।

স্বীকৃতির জটিলতা

২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ হিসেবে হিজড়া জনগোষ্ঠীকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। খবরটি এই সম্প্রদায়ের মধ্যে সুখের খবর এনেছিল। এ কারণে তাঁরা মূলধারার জনস্রোতে একাকার হতে পারবেন। তাঁরা সমাজের সুযোগ-সুবিধা পাবেন, রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির লিয়াজোঁ অফিসার অনন্যা বণিকের ভাষ্য, ‘স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর এ রকম একটি স্বীকৃতি আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছিল। কিন্তু বিদ্যমান সমাজ কাঠামোর গুণগত পরিবর্তন না হলে এই স্বীকৃতি অবহেলিত এই জনগোষ্ঠীর খুব বেশি উপকার বয়ে আনবে না। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আমাদের মাসে ৬০০ টাকা ভাতা দেওয়া হয়, যা জীবনযাপনের ব্যয়ের তুলনায় কিছুই না। এ খাতে সরকারের বাজেট আরো বাড়ানো দরকার। তা না হলে এই জনগোষ্ঠীর কোনো উন্নয়ন হবে না। ’ যাত্রাবাড়ীর লারা বলেন, ‘কেবল স্বীকৃতি দিলেই হবে না, স্বীকৃতির বিষয়টি বাস্তবায়নও জরুরি। ’ বাঁধন হিজড়া সংঘের নির্বাহী পরিচালক পিংকি শিকদার বলেন, ‘এই জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার সুযোগ দিতে হবে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রকে এই দায়িত্ব নিতে হবে। এ ছাড়া কর্মমুখী শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। তাহলে এই জনগোষ্ঠীর কেউই আর বেকার থাকবে না। ’

তবু আশায় বাঁধি বুক

পথে চলতে নানা কটু কথা শুনতে হয়। পরিবারেও এদের ঠাঁই নেই। রাষ্ট্র থেকে যে সুযোগ-সুবিধা তাদের কাঙ্ক্ষিত তা-ও নেই। তবু এরা আশায় বুক বাঁধে। অবহেলিত এই জনগোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য বাকি জীবন কাটাতে চান সুখে। তাঁদের স্বপ্ন সমাজব্যবস্থা একদিন না একদিন বদলাবেই। বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম হিরু বলেন, ‘তৃতীয় লিঙ্গের এই মানুষদের খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা রাষ্ট্রকেই করতে হবে। এরা যাতে সমাজের মূলধারার সঙ্গে মিশতে পারে, সে বিষয়ে পরিকল্পনা আরো জোরালো করতে হবে। তাহলে কেবল এই জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে। ’ হিজড়াদের সংগঠন পদ্মকুঁড়ির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারি বলেন, ‘একদিন জীবনের অন্ধকার ঘুচবেই। আলো আসবেই। আর সেই আলোয় আলোকিত হতে চায় হিজড়াদের জীবন। এখন কেবল সেই আলোর অপেক্ষা। ’



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা