jatiyo-uddhan

গাজীপুর সদর উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে জাতীয় উদ্যানে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহ ব্যবসা।

এলাকাবাসী সূত্রে ও সরেজমিনে দেখা গেছে, জাতীয় উদ্যানের ৪ নং গেটের পর্যবেক্ষন টাওয়ারের একটু উত্তর পাশে গজারী বনের ভেতর চলছে পুলিশের সহযোগিতায় দেহ ব্যবসা। প্রতিদিন ৩০-৪০ জন মেয়ে সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ১শ’ থেকে ২শ’ টাকার জন্য কয়েক মিনিট সময়ের জন্য তাদের দেহ বিলিয়ে দিচ্ছে খদ্দেরের নিকট। ওই সব মেয়েদের সাথে যৌন মেলামেশা করতে ১৭ থেকে ৩০ বছর বয়সের যুবকরা বেশী ভীড় করছে। এদের মধ্যে রয়েছে স্কুল কলেজের ছাত্ররাও। গজারী গাছের আড়ালে পলিথিনের কাগজ ও কাপড় দিয়ে তাবু বানিয়ে ওই সব অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।

পাশাপাশি গড়ে উঠেছে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানা। জাতীয় উদ্যোনে ভেতর প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও যৌন উত্তেজক। দিনদিন বেড়েই চলেছে ছিনতাইয়ের ঘটনা। বিকেল ৪টার পরে কোন পর্যটককে একা পেয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কেড়ে নিচ্ছে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, সোনার গহনাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র। আর এসব কিছুই ঘটছে পুলিশের প্রকাশ্য মদদে । 

স্থানীয়দের অভিযোগ প্রতিমাসে পুলিশকে মোটা অংকের মাসুহারা দিয়েই চলাচ্ছে দেহ ব্যবসা। পুলিশ ওই অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত থাকার কারণে এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

জাতীয় উদ্যানে বেড়াতে যাওয়া শামীম রহমান জানান, স্ত্রী ও ছোট ছেলে নিয়ে বেড়াতে এসেছি। ৪ নং গেট দিয়ে প্রবেশ করে পর্যটন টাওয়ারের উত্তর দিকে হেটে অনেকেই যাচ্ছে তাদের দেখা দেখি আমরাও একটু সামনে গিয়ে দেখি ওরকম অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। বর্তমানে এখানে ঘুরে বেড়ানোর মত পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে।

আলম নামের এক যুবক বলেন, ভাই এখানে আসছেন কেন? তাড়াতাড়ি চলে যান। একটু পড়েই ছিনতাইকারীরা নামবে। সাথে যা আছে তা ছিনিয়ে নিবে। বাসায় ফেরার মত গাড়ী ভাড়াও থাকবে না।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা