amu

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, "মহাত্মা গান্ধী ও নেতাজী ব্যর্থ হয়েছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুই একমাত্র নেতা যিনি সফল হয়েছিলেন অসহযোগ আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে।

ভারতের তৎকালীন নেতারাই স্বীকার করেছেন মহত্মা গান্ধী ও নেতাজী সুভাষ চন্দ্রের চেয়ে বঙ্গবন্ধুর সমন্বয় অনেক বড়। বঙ্গবন্ধুর ডাকেই মানুষ অসহযোগ আন্দোলন করেছে আবার তার ডাকেই সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। "

শনিবার দুপুরে ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ঝালকাঠি মুক্ত দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দ্যেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তাই পরিবার আর পড়া প্রতিবেশির কাছে মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথা ইতিহাস তুলে ধরতে শিল্পমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহবান জানান। মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসনের তালিকা প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সব মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে জানান তিনি।

তবে এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, "মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার বীরত্ব গাঁথা ইতিহাস আর হত্যা নির্যাতনের কথা সঠিক ভাবে তার নিজের পরিবার কিংবা সমাজের কাছে তুলে ধরতে পারেনি। আজকের প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস না জানার কারনেই বিপদগামী হচ্ছে। যে ভুলের মাসুল দিতে হচ্ছে। আর এ কারণেই বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এসেছে। নিজামী-মুজাহিদের গাড়িতে পতাকা উড়েছে। "

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সরদার মো. শাহ আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মাহমুদ হাসান, জেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যন সুলতান হোসেন খান, পিপি এ্যাডভোকেট আ. মান্নান রসুল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এমএ বায়জিদ প্রমুখ। ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান হোসেন খানের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। পরে মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

 



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা