ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.এইচ. মাহমুদ আলী বলেছেন, বাংলাদেশ সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত পাঁচ দফা প্রস্তাব অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।

 

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে চাই।

রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে স্মার্ট প্লেজেসের ওপর প্রস্ততিমূলক সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ডিপার্টমেন্ট অব ফিল্ড সাপোর্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মিজ লিসা এম. বুট্টেনহেই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গারা নিজ দেশে জাতিগত নিধনের শিকার হচ্ছেন। স্থান ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা পাঁচ লাখের বেশি মিয়ানমার নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছি। ইতোমধ্যেই বিগত তিন দশকে মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে থাকা সত্ত্বেও মানবিক কারণে আমরা নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের ঠাঁই দিয়েছি।’

মাহমুদ আলী বলেন, ‘আমাদের দেশে মিয়ানমারের এই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত নাগরিকদের উপস্থিতি বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করছে।’

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী অভিযানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের জন্য আগের দিনের তুলনায় বর্তমানে শান্তি অভিযান অনেক বেশি জটিল। তিনি জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীকে আরো কার্যকর করে তুলতে জাতিসংঘ এই বাহিনীতে বেশকিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর অন্যতম সৈন্য ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশ হিসেবে আমরা আমাদের অভিজ্ঞতার আলোকে জাতিসংঘের সব ধরনের পদক্ষেপে অবদান রাখছি। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষার দায়িত্ব পালন করা এখন আরো জটিল হয়ে পড়ায় চাহিদা ও ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ তার বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / এমআরআর

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা