bd-vs-ind_un.jpg

বাংলাদেশের বিপক্ষে মঙ্গলবার প্রস্তুতি ম্যাচ নিজেদের ব্যাটিংটা দারুণভাবে ঝালিয়ে নিয়েছে ভারত। কনকনে ঠাণ্ডা আবহাওয়া। সূর্য মেঘের আড়ালে গত দুই দিন ধরে। এমন কন্ডিশন পেসারদের জন্য আদর্শ। তাদের তো জ্বলে ওঠার কথা। দুদিন আগে এখানেই মোহাম্মদ সামি বিধ্বস্ত করেন কিউই ব্যাটিং। কিন্তু সামি পারলেও পারলেন না মোস্তাফিজ, তাসকিনরা। ১ জুন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চূড়ান্তভাবে মাঠে নামার আগে মঙ্গলবার শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং প্রস্তুতি ভালো হলো না বাংলাদেশের।  প্রথমে ব্যাট করা ভারতের সংগ্রহ দাঁড়াল বিশাল, ৭ উইকেটে ৩২৪ । এই রান ওভালের কঠিন কন্ডিশনে মোটেও সহজ নয় তামিমদের জন্য।

সকালে টস জিতেছিলেন সাকিব। ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্তটা কারো না বোঝার কথা নয়। সকালের কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে দ্রুত কটা উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলা। অধিনায়কের গেম প্ল্যান মতো শুরুতে রুবেল ও মোস্তাফিজের হাত ধরে দুটি উইকেটও পেল বাংলাদেশ।

 

মাত্র ১ রানের মাথায় ওপেনার রোহিত শর্মার উইকেট ছত্রখান করে দেন রুবেল। ভালো শুরুর ইঙ্গিত আরও জোরালো করলেন মোস্তাফিজুর রহমান। এবারও বোল্ড। ১১ রানে  তিনি ফেরালেন অজিঙ্কে রাহানেকে। ২১ রানে দুই উইকেট তুলে নিয়ে দারুণ উজ্জীবিত বোলাররা।

কিন্তু এর পরের গল্প তাদের হতাশার। ভারতীয় ব্যাটিং যে অতো সহজে ভেঙ্গে পড়ার নয়, সেটা দেখিয়ে দিলেন শিখর ধাওয়ান ও দীনেশ কার্তিক। কঠিন অবস্থা থেকে দলকে টেনে তুললেন তারা। এ জুটিতেই হতাশা বাড়ল সাকিবদের। বিশাল স্কোরের শক্ত ভিত গড়ে দিলেন তারা। ৬৭ বলে ৬০ রান করে লেগ স্পিনার সানজামুলের বলে ফিরেন ধাওয়ান।

 

দীনেশ কার্তিক ব্যাট করেছেন রাজার মতো। নিশ্চিত সেঞ্চুরি পেতে পারতেন। কিন্তু প্রাকটিস ম্যাচ বলে ৯৪ রান (৭৭ বলে) করার পর  বিশ্রামে চলে যান এ উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান। এরপর ৩১ রান করে  সানজামুলের বলে আউট হন কেদার যাদব।

৬ষ্ঠ উইকেটে হার্দিক পাণ্ডে ও রবিন্দ্র জাদেজাও ভালো ব্যাট প্রাকটিস করলেন। ৩৬ বলে ৩২ করে  পেসার রুবেল হোসেনের বলে আউট হয়েছেন জাদেজা। পাণ্ডে থেকেছেন অপরাজিত, ৫২ বলে ৭২ রান করে।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে যেমন বোলিং প্রাকটিস আশা করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট, সেটা হলো না।পেসার তাসকিন আহমেদের জন্য তো আরও হতাশার ছিল ম্যাচটা। ৬ ওভার বল করে ৭ করে রান দিয়ে একটা উইকেটও নিতে পারেননি তিনি। ৪২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন রুবেল। মোস্তাফিজ পান এক উইকেট, ৫৩ রানে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / ডেস্ক রিপোর্ট

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা