প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

দেশে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের সম্ভাবনা থাকায় সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো মিলে খাতটিতে আয় বাড়ানোর জন্য কাজ করছে। আমরা সেই সম্ভাবনাময় খাত থেকে আগামী ২০২১ সাল নাগাদ এক লাখ কর্মসংস্থান তৈরির একটা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। যেখান থেকে ওই সময়ের মধ্যে আয় এক বিলিয়ন ডলার নিয়ে আসা সম্ভব বলে বলেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বিপিও সম্মেলন ২০১৬ সম্পর্কে জানাতে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

পলক বলেন, এই খাতের অগ্রগতি সন্তোষজনক। এই খাতে এখন ৩০ হাজার কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি আয় হচ্ছে ১৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে পাশের দেশ ভারত, ফিলিপাইন শ্রীলঙ্কা এখন এই খাত থেকে আয়ের শীর্ষে রয়েছে। আমাদেরও সেই অবস্থানে যেতে হবে।

সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) দেশে দ্বিতীয়বারের মতো বিপিও সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে। এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

পলক বলেন, প্রথম বিপিও সম্মেলন থেকে দ্বিতীয় সম্মেলন এই মাঝখানের প্রায় আট মাসে এই খাত থেকে আয় বেড়েছে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখন স্তানীয় অনেক প্রতিষ্ঠান বিপিওর সেবা নিয়ে থাকে। আমা করছি এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাক্য সভাপতি আহমাদুল হক ববি সম্মেলন নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিপিও সম্মেলনের লক্ষ্য থাকে দেশের বিপিও খাতকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা। একই সঙ্গে তরুণদের এই খাতে কর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করা। আমরা আশা করছি দ্বিতীয় সম্মেলনটিও সফল হবে।

তিনি জানান, এবারের সম্মেলনে প্রায় অর্ধশত স্থানীয় ও ২০ জন আন্তর্জাতিক বক্তা বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য রাখবেন। দুই দিনে সম্মেলনে মোট আটটি সেশন এবং দুটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।

দেশে এখন শুধু ঢাকার ভিতরের ৮৮টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিপিও কাজ করছে বাক্য। এছাড়াও ছয়টি বাইরের প্রতিষ্ঠানের আউটসোর্সিং করে বাক্য।

বিপিও সামিটকে সফল করতে এবং তরুণদের বিপিও খাতে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করতে ইতোমধ্যে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রমও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেশে পর পর দুটি জঙ্গি হামলার ঘটনা তুলে ধরে বিদেশি অতিথিদের নিরাপত্তা বিষয়ে জানতে চাইলে আইসিটি সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার বলেন, আমরা ডিএমপির সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক, বাক্য সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, বেসিস জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট রাসেল টি আহমেদ, সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকারসহ আরও অনেকে।

সুত্রঃ টেক শহর



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আর জে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা