sahara

বৃহত্তর ঢাকা সমিতি উত্তরার প্রীতি সম্মেলন ও মতবিনিময় সভায়  প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর প্রেসিডিয়াম মেম্বার, ঢাকা ১৮ আসনের মা, মাঠি ও গণমানুষের নেতা অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন,এম.পি  বলেন  দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য এখনো যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত রয়েছি।

তিনি বলেন বৃহত্তর ঢাকা সমিতির জন্য সব রকম সহযোগিতা করতে আমি প্রস্তুত। এই সমিতির জন্য বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে জমি, সে জমি দ্রুত ব্যবস্থা করার জন্য আপনার উদ্যোগ নিন আমি আপনাদের পাশে আছ। গত শনিবার উত্তরা এ্যাবাকাস রেস্টেুরেন্টে রাত ৯টায় ঢাকা সমিতির মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন ।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির  কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ বাহাউদ্দনি বাবুল, উত্তরা পূর্ব থানা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কুতুবউদ্দিন আহমেদ, দক্ষিণখান থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হানিফ আলী, উত্তরা ১নং ওর্য়াডরে সভাপতি মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ খোকা,  গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সমিতির আজীবন সদস্য আখতারুজ্জামান, ঢাকা বার কাউন্সিলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আবদুল বাতেন, খিলক্ষেত থানা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক মোঃ আসলাম উদ্দিন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রানু, ১১নং কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উত্তরা এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফুর রহমান শরীফ, সমিতির সদস্য সচিব মোগল হোসেন ভূঁইয়া প্রমুখ।

পূর্ব থানার সভাপতি কুতুব উদ্দিন বলেন ঢাকাবাসীদের নিয়ে উন্নয়নমুলক সব ধরনের কাজে সহযোগী হবে এই বৃহত্তর ঢাকা সমিতি উত্তরা। শুধূ ঢাকায় নয় পুরো বাংলাদেশে এর পরিচিতি ছড়িয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

নারী নেত্রী খুকি বলেন উত্তরায় অনেকে অনেক সমিতি সংগঠন করার চেষ্টা করেছে হয়নি তবে বৃহত্তর ঢাকা সমিতি এবার তা করে দেখালো। তিনি বলেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, এম.পি গণ মানুষের নেত্রী। ১৮ আসনটি সাহারা খাতুন এমপির ঘাটি হয়ে থাকবে সবসময়।

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রানু বলেন অনেক দিন পর হলেও এই সমিতি আত্বপ্রকাশ করতে পেরেছে যা পরবর্তীতে আরো বড় আকারে রুপ নিবে। ঢাকাবাসীর জন্য এই বৃহত্তর ঢাকা সমিতি উত্তরা এক শুভ বার্তা।

 দক্ষিনখান থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হানিফ বলেন ঢাকাবাসী এক হয়ে যে এই সমিতি করছে তা ভালো লক্ষণ। এই সমিতি ঢাকাবাসীদের উন্নয়ন অগ্রগতিতে এগিয়ে যাবে। এ সমিতি সমাজের জন্য অনেক উন্নয়নমুলক কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

সমিতির সদস্য সচিব মোগল হোসেন ভুইয়া বলেন ২০১৬ সালের ৩০ শে জুলাই এই সমিতির যাত্রা শুরু হয় ৪০ জন সদস্য নিয়ে, আর এখন তা এক বছরে দ্বিগুন হয়ছে। সকলের সহযোগতিার মাধ্যমে এই সমিতিকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এসময় তিনি সমিতির অফিসের জন্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি কাছেও মৌখিক আবেদন জানান।

সমিতির আজীবন সদস্য জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান বাহাউদ্দিন বাবুল বলেন বৃহত্তর ঢাকা সমিতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে এই সমিতির জন্য একটি নিজস্ব স্থান দরকার। সমিতি আর ক্লাব এক নয় বলে জানান তিনি। সবার সহযোগিতা এই সমিতিকে অনকে দুর এগিয়ে নিয়ে  যাবে। 

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মৃত্রিকা বিজ্ঞানী ড.আব্দুল মজিদ মিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে এই সমিতি গঠন করা হয়েছে। আমরা যারা বৃহত্তর ঢাকা জেলার বাসিন্দা(মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর ও ঢাকা) তাদের কোন সমিতি নেই অথচ আমরা দেখি ঢাকার বাহিরের প্রায় সকল বৃহত্তর জেলার ঢাকায় সমিতি রয়েছে। বৃহত্তর ঢাকা জেলার উত্তরাতে স্থায়ীভাবে বসবাসকারীদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করণে এই সমিতির বিকল্প নেই। আমরা এক ও অভিন্ন হয়ে এই সমিতিকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে চাই। সকলের সহযোগিতায় এটা সম্ভব। আমরা সমিতিটাকে সদস্যদের আস্থায় জায়গায় পৌঁছাতে চাই। আমরা ইতোমধ্যে সমিতির পক্ষ থেকে অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছি। কিন্তু এর জন্য কোন সাধারন সদস্যর নিকট থেকে চাঁদা নেয়া হয়নি। সমিতির নির্বাহী কমিঠির সদস্যরাই সকল অনুষ্ঠানের খরচ বহন করে আসছে। এই সমিতিকে এ অবস্থায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে যারা ভুমিকা রেখেছেন তাদের প্রতি কৃতঞ্জতা প্রকাশ করছি। বিভিন্ন সময়ে সমিতিতে অনুদান ও জীবন সদস্যদের চাঁদা বাবদ ১,৬৫,০০০/-(এক লক্ষ পয়ষট্রি হাজার) টাকা জমা আছে। আমরা এ তহবিলটা ঠিক রেখে সামনের দিকে অগ্রসর হতে চাই। আগামী জানুয়ারী মাস থেকে প্রতি সদস্য মাসে ১০০/-(একশত) টাকা এবং একসাথে একবছরের জন্য ১০০০/-(একহাজার)টাকা প্রদানের প্রস্তাব করছি। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, সমিতি সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য একটি খসড়া গঠনতন্ত্র তৈরি করা হয়েছে। সাধারন সভায় অনুমোদের পর সে অনুযায়ী সমিতি পরিচালিত হবে। আমরা আগামী বছরের শুরুতেই একটি স্মরনিকা প্রকাশ করব। এতে সকল সদস্যদের নাম সন্নিবেশন করা হবে। আমাদের এই সমিতির কাযক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে একজন অভিভাবক প্রয়োজন। তাই আমি আজকের সভার প্রধান অতিথি আমাদের সবার মান্যবর অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন,এম.পি কে উক্ত সমিতির প্রধান উপদেষ্ঠা হিসেবে থাকার আহবান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন সময় সল্পতায় আমি আমার বক্তব্য দীর্ঘায়িত করতে চাই না। আমাদের আজকের এ আয়োজনে কোন প্রকার ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। অনুষ্ঠান সফল করার জন্য উপস্থিত সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। 

মতবিনিময় সভা শেষে এক প্রীতি ভোজের আয়োজন করে সমিতির সদস্যরা।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা