sopnaaaaaaa

মানুষ নিজেকে সুন্দর দেখাতে কতকিছুই না করেন। কিন্তু, এই মহিলার কথা যদি মেনে চলেন তাহলে আপনার সৌন্দর্য আর কয়েকদিন পরেই অন্যদের কাছে ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

স্বপ্না ব্যাস পটেল। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে এই মহিলার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। অসমের এক অভিনেত্রী বিধায়কের সঙ্গে স্বপ্নার চেহারার মিল থাকায় স্বপ্নার ছবিকে সেই মহিলা বিধায়কের ছবি হিসেবে প্রচার করা হয়। প্রথমটায় সেটা বোঝা না গেলেও তার পরে সামনে আসে আসল সত্য।  

আহমেদবাদের বাসিন্দা স্বপ্না ব্যাস পটেল একজন পেশাদার ডায়েটিশিয়ান শুধু নন, তিনি একজন ফিটনেস ট্রেনার। ফিটনেসের উপরে মোটিভেশনাল স্পিচ দিতে তাঁর ডাক পড়ে বিদেশেও। কলেজে পড়ার সময় স্বপ্নার ওজন ছিল ৮৬ কিলো। কিন্তু, দুরন্ত খাদ্যাভাসে প্রচুর রদবদল এনে এবং ফিটনেস ট্রেনিং করে ২ বছরের মধ্যেই চেহারাকে ৫৩ কিলো ওজনে নিয়ে আসেন। স্বপ্না ব্যাস পটেল এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যতম জনপ্রিয় সেলিব্রিটি। 

ফিটনেস ট্রেনিংয়ের জন্য স্বপ্না নিজের সৌন্দর্যকে এতটাই আকর্ষণীয় করে তুলেছেন যে তাঁর ভক্তকুলের সংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। শুধু ফিটনেস ট্রেনিং করে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রোফাইল তৈরি করে অনেকেই সেলিব্রিটি হয়েছেন এর আগে যাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া সেলিব্রিটি বলেই সচরাচর ডাকা হয়। তবে এমন নজির এদেশে কমই, বিদেশেই বেশি। তাই স্বপ্নাকে এক্ষেত্রে উদাহরণ-সৃষ্টিকারী বলাই যায়।  

অনলাইনে একদম বিনামূল্যে ফিটনেস ট্রেনিং দিয়ে থাকেন বছর সাতাশের স্বপ্না। ফিটনেস থেকে ডায়েটের মতো বিষয়ে মূল্যবান টিপসও শেয়ার করেন তিনি। এর জন্য কারোর থেকে কোনও অর্থও নেওয়া হয় না। স্বপ্নার জনপ্রিয়তা এতটাই আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে যে ইউটিউবে রোজ তাঁর ভিডিও দেখেন কম করেও ২ লক্ষ মানুষ। স্বপ্নার ইউটিউব চ্যানেলেও ফলোয়ারের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। ফেসবুকে তাঁর প্রোফাইলে রয়েছেন ৭৫ হাজার ফলোয়ার। রোজ ফেসবুকে তাঁর পেজে নাকি ভিড় জমান অন্তত ৫ হাজার ইউজার। 

স্বপ্নার বিপুল জনপ্রিয়তা দেখে অনেক বহুজাতিক ফিটনেস সংস্থা থেকে শুরু করে স্পোর্টস অ্যাটায়ার এবং শু বিক্রেতা সংস্থাও তাঁকে তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করতে চেয়ে হত্যে দিয়ে পড়ে আছে। সেই দৌড়ে এগিয়ে গিয়েছে ‘রিবক’। ইতিমধ্যেই তারা স্বপ্নাকে একজন ফিটনেস এক্সপার্ট হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এমনকী, তাদের কিছু প্রোডাক্টে স্বপ্নাকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরও করেছে তারা। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বপ্নার ভক্তকুল যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে তিনি খুব শিগগিরি বাবা রামদেবকেও জনপ্রিয়তায় পিছনে ফেলবেন বলে দাবি করা হচ্ছে। অথচ, একটা সময় ওয়েট গেইনের সমস্যায় ভুগেছেন স্বপ্না। তাঁর চেহারা এতটাই বিসদৃশ হয়েছিল যে তিনি কোনওদিন এমন তন্বী হয়ে দেশজুড়ে সেলিব্রিটির তকমা পাবেন, এমনটা নিজেই ভাবতে পারেননি। ভক্তকুলের দাবি, ইউটিউব, টুইটার থেকে শুরু করে ফেসবুক-সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায়স্বপ্না ব্যাস পটেলের নামে বিপুল সংখ্যায় সার্চ হয়। মাসে অন্তত ১ কোটি লোক সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বপ্নার প্রোফাইল ভিজিট করে বলে দাবি করা হয়েছে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা