dulavaiii

বিয়ের পরেই নিজের শ্যালিকাকে ভাল লেগে গিয়েছিল এই যুবকের। ধীরে ধীরে সম্পর্কও গড়ে ওঠে। কিন্তু এবার কী করবে? সমাজ তো দূরের কথা, নিজের পরিবারও যে মেনে নেবে না এই সম্পর্ক। সেই কারণেই এক মোক্ষম পরিকল্পনা করেছিল সে। কিন্তু নিজের চালে শেষ পর্যন্ত নিজেই ঘায়েল হয়ে গেল সেই যুবক। আপাতত তার ঠিকানা শ্রীঘর।

ওই যুবকের নাম ইরশাদ খান। বেঙ্গালুরুর নাগাওয়ারার বাসিন্দা। পেশায় সেলস এগজিকিউটিভ। বিয়ের পর থেকেই নিজের শ্যালিকার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরিবারের ভয়ে এই কথা কাউকে জানাতেও পারছিল না ইরশাদ। এমন সময়েই নিউ ইয়ারের রাতে বেঙ্গালুরুতে গণ শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে।
 এর পর কাম্মানহাল্লির কাছেও শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে যা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল। এই দু’টি ঘটনা থেকেই তার মাথায় কুবুদ্ধি আসে।

প্রতিদিন যে তার শ্যালিকা বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত একা হেঁটে যান তা জানত ইরশাদ। ওই রাস্তাটা মোটামুটি ফাঁকাই থাকে। সেইমতোই প্ল্যান সাজায় ইরশাদ। গত শুক্রবার এক ব্যক্তিকে তার শ্যালিকার পিছু নিতে নির্দেশ দেয় সে। বেঙ্গালুরুর নাগাওয়ারা বাসস্ট্যান্ডের কাছে আসতেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরশাদের শ্যালিকার হাত ধরে টানাটানি করে ওই যুবক। এরপর তাঁকে কামড়েও দেয় ওই ব্যক্তি। শ্যালিকার চিৎকারে লোকজন বেরিয়ে এলে চম্পট দেয় ওই ব্যক্তি। ঘটনার পরেই কে.জি. হালি থানায় যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেন ইরশাদের শ্যালিকা।

পুলিশ জানিয়েছে, ইরশাদের পরিকল্পনা ছিল, শ্লীলতাহানির পরে অসহায় হয়ে পড়বেন তাঁর শ্যালিকা ও তাঁর পরিবার। আর এই সুযোগেই শ্যালিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেবে ইরশাদ। এই পরিস্থিতিতে হয়তো পরিবারের তরফ থেকে ইরশাদের এই প্রস্তাব মেনেও নেওয়া হবে বলে আশা ছিল ইরশাদের।

কিন্তু সে গুড়ে বালি। ইরশাদের হাবভাব দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তাকে আটক করে। ইরশাদের বক্তব্যে অসঙ্গতি মেলায় তাকে চেপে ধরে পুলিশ। জেরার মুখে সমস্তটা স্বীকারও করে নেয় ইরশাদ। কিন্তু মজার কথা হল, তার শ্যালিকার বয়ানেও কিছু অসঙ্গতি মিলেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, ঘটনার সঙ্গে ইরশাদের শ্যালিকাও যুক্ত থাকতে পারেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ তাই ভাল করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা