dhoriye-din.jpg

লেবাননের রাজধানী বৈরুত এর পাশ্ববর্তী এলাকা আইন আল রোমানী ৭২ জন প্রবাসী বাংলাদেশির কাঁন্নায় গত দু,সপ্তাহ থেকে শহর কম্পিত। দেশের উন্নয়ন ও পরিবারের মুখে হাঁসি ফোটানোর আশায় নিজেদের শেষ সম্বল বিটা বাড়ী বিক্রি করে আসে প্রবাসে। কেহ কন্টাক্ট কেহ ফ্রি ভিসা নামে কাজ করে।প্রবাস অনেক কষ্টের জীবন।প্রবাস জীবনটা যার যার ভাগ্যের উপর নির্ভরশীল। আট থেকে ষোল ঘন্টাও কাজ করতে হয় অনেকে।প্রবাসীদের কর্ষ্টাজিত অর্থ নিজেদের পরিচালনায় অভাব বা প্রবাস থেকে সরাসরি নিজের নামে সঞ্চয় জমিয়ে রাখার কোন ব্যবস্থা দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আজও সরকার করে নাই।প্রবাসীরা দেশের বাহিরে নানান কাজে প্রতারিত হচ্ছে।

এসব প্রতারণা থেকে পরিত্রাণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চায় প্রবাসীরা। নাম: আবু তাহের পিতার নাম: আবদুল গণি ভাই: মোহাম্মদ রাজ্জাক ভাই: মোহাম্মদ কাসেম গ্রাম: সাফমার পো: মানিকছড়ি থানা: মানিকছড়ি জেলা: খাগড়াছড়ি বাংলাদেশ। ১৯৯৪/১৯৯৫ সালে আবু তাহের আসে লেবানন। ৩/৪ বছর থাকার পর সে দেশে চলে যায়।বাংলাদেশ থেকে সে সিংগাপুর যেয়ে ৩/৪ বছর থাকার পর বাংলাদেশে এসে নিজের নাম,ঠিকানা পাল্টে নতুন পাসপোর্ট বানিয়ে আসে লেবানন।সে একটা ক্লিনিং কোম্পানিতে করত কাজ। সে লেবাননের রাজধানী বৈরুত এর পাশ্ববর্তী এলাকা আইন আল রোমানী বসবাস করতেন।দীর্ঘদিন এ এলাকা থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মন জয় করে নেয়। সে মহিলা কর্মী ও পুরুষ কর্মী অর্থাৎ দালালী করে অনেক লোক লেবানন আনেন।সাথে ব্যবসা স্বরূপ এখানে গড়ে তুলেন সমবায় সমিতি।গত ছার বছর আগে এ সমিতির কার্যক্রম শুরু হয়।দু,বছর পর পর হিসাব-নিকাশ সমাপ্তি হয়।

প্রথমটি শেষ হওয়ার পর দু,বছর আগে অন্যটি আবার আরম্ভ হয়।৭২ জন সদস্য নিয়ে এ সমিতি ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ইং শেষ হওয়ার কথাছিল। প্রত্যেকজনের মাসিক ২০০$ আমেরিকান ডলার চাঁদা ছিল দু,বছর অর্থাৎ ২৪ মাস। যার পরিমান(৭২ গুন ২০০$) গুন ২৪ মাস=৩,৪৫,৬০০$ আমেরিকান ডলার। বাংলাদেশি প্রায় ২৭ কোটি টাকা। গত দু,সপ্তাহ আগে হঠাৎ করে সে বাংলাদেশে চলে যায়।সমিতির কোন সদস্য দেশে যাওয়ার ব্যাপারে জানেন না।সমিতির সম্পুর্ন টাকা হাতিয়ে নিয়ে সে পালিয়ে যায়।লেবাননের ব্যবহার করা টেলিফোন নাম্বারে তার whatsapp চালু আছে। কিন্ত কারো কথার কোন উওর পাওয়া যাচ্ছেনা। এ নিয়ে এখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কান্নাকাটি এলাকায় টাকার শোকে কম্পিত। এবংএলাকার অনেকজন ভয়ভীতির মধ্যে জীবন যাপন করতেছেন। প্রবাস জীবন এ পরিস্হিতিতে যদি পুলিশ হানা দেয় তখন বৈধ-অবৈধ না দেখে সবাইকে জেল-হাজতে নিয়ে যাবে। এমতাবস্থায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা পলাতক আবু তাহেরকে সন্ধান ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য এবং তাদের পাওনা টাকা আদায়ে দূতাবাস, বাংলাদেশ প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করে। (সমিতির সদস্য আবু বকর,জাকির হোসেন,লিপি বেগম)



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / আ/ম

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা